আহসান মঞ্জিল

আহসান মঞ্জিল ঢাকা

ইসলামপুরের কুমারটুলী নামে পরিচিত পুরনো ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে বর্তমান ইসলামপুরে আহসান মঞ্জিল অবস্থিত। এটি ব্রিটিশ ভারতের উপাধিপ্রাপ্ত ঢাকার নওয়াব পরিবারের বাসভবন ও সদর কাচারি ছিল। অনবদ্য অলঙ্করন সমৃদ্ধ সুরম্য এ ভবনটি ঢাকার অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্থাপত্য নিদর্শন। এটি পূর্বে ছিল ঢাকার নবাবদের প্রাসাদ। বর্তমানে এটি জাদুঘর হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এর প্রতিষ্ঠাতা নওয়াব আবদুল গণি। নওয়াব আব্দুল গনির পিতা খাজা আলিমুল্লাহ ১৮৩০ সালে ফরাসিদের নিকট থেকে এই কুঠিটি ক্রয়পূর্বক সংস্কারের মাধ্যমে নিজ বাসভবনের উপযোগী করেন। পরবর্তীতে নওয়াব আব্দুল গনি ১৮৬৯ সালে এই প্রাসাদটি পুন:নির্মাণ করেন এবং প্রিয় পুত্র খাজা আহসানুল্লাহর নামানুসারে এর নামকরণ করেন আহসান মঞ্জিল। ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে আহসান মঞ্জিলের নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে ১৮৭২ খ্রিস্টাব্দে সমাপ্ত হয়। ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দে এখানে এক অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়। আহসান মঞ্জিল কয়েকবার সংস্কার করা হয়েছে। সর্বশেষ সংস্কার করা হয়েছে অতি সম্প্রতি। এখন এটি বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর কর্তৃক পরিচালিত একটি জাদুঘর। আহসান মঞ্জিল দেশের একটি উল্লেখযোগ্য স্থাপত্য নিদর্শন। ১ মিটার উঁচু বেদির উপর স্থাপিত দ্বিতল প্রাসাদ ভবনটির আয়তন দৈর্ঘে ১২৫.৪ বর্গমিটার ও প্রস্থে ২৮.৫ বর্গমিটার। নিচতলায় মেঝে থেকে ছাদ পর্যন্ত উচ্চতা ৫ মিটার ও দোতলায় ৫.৮ মিটার। প্রাসাদটির উত্তর ও দক্ষিণ উভয় দিকে একতলার সমান উঁচু করে গাড়ি বারান্দার উপর দিয়ে দোতলার বারান্দা থেকে একটি সুবৃহৎ খোলা সিঁড়ি সন্মুখস্থ বাগান দিয়ে নদীর ধার পর্যন্ত নেমে গেছে। সিঁড়ির সামনে বাগানে একটি ফোয়ারা ছিল যা বর্তমানে নেই। প্রাসাদের উভয় তলার উত্তর ও দক্ষিণ দিকে রয়েছে অর্ধবৃত্তাকার খিলান সহযোগে প্রশস্ত বারান্দা। বারান্দা ও কক্ষগুলির মেঝে মার্বেল পাথরে শোভিত। এই প্রাসাদের ছাদের উপর সুন্দর একটি গম্বুজ আছে। এক সময় এই গম্বুজের চূড়াটি ছিল ঢাকা শহরের সর্বোচ্চ। বাংলাদেশের ইতিহাসের ধারক ও বাহক হিসেবে আলাদা পরিচয়ে পরিচিত হয়েছে এই আহসান মঞ্জিল।আর তাইতো এখনো প্রতিদিন অসংখ্য দর্শনার্থী ছুটে আসে এই পুরাতন ও ঐতিহ্যবাহী প্রাসাদটি দেখার জন্য।

Explore this Place Add to Wishlist
সাত গম্বুজ মসজিদ

সাত গম্বুজ মসজিদ ঢাকা

খ্রিস্টীয় ষোল শতকে প্রতিষ্ঠিত হয় সাত গম্বুজ মসজিদটি। মোগল শাসনামলে বাংলাদেশে যে স্থাপত্য রীতির প্রচলন শুরু হয় তারই ধারাবাহিকতায় এ মসজিদটি একটি চমৎকার উদাহরণ। ধারণা করা যায়, ১৬৮০ খ্রিস্টাব্দে নবাব শায়েস্তা খাঁ মসজিদটি নির্মাণ করেন। অন্য এক তথ্যে জানা যায়, নবাব শায়েস্তা খাঁর জ্যেষ্ঠপুত্র বুজুর্গ উদ্দিন (উমিদ) খাঁ এই মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা। বর্তমানে, মসজিদটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তত্বাবধানে আছে। এ মসজিদের ছাদের কেন্দ্রে একটি বড় আর তার দুপাশে দুটি একটু ছোট এবং চার কোণায় আরো ছোট চারটি সহ মোট সাতটি গম্বুজ আছে। এ থেকেই মসজিদটির নামকরণ হয়েছে সাত গম্বুজ মসজিদ। এর আয়তকার নামাজ কোঠার বাইরের দিকের পরিমাপ ১৭.৬৮ মিঃ*৮.২৩ মিঃ। পূর্ব দিকের দেয়ালে ভাঁজ বিশিষ্ট তিনটি খিলান মসজিদটিকে বেশ আকর্ষনীয় করে তুলেছে। পশ্চিম দেয়ালে রয়েছে তিনটি মিহরাব এবং বাইরের দিকে পুরো দেয়াল জুড়ে রয়েছে কুলঙ্গি সম্বলিত অলঙ্করণ। মসজিদের ভিতরে ৪টি কাতারে প্রায় ৯০ জনের নামাজ পড়ার মত স্থান রয়েছে। মসজিদের পূর্বপাশে এরই অবিচ্ছেদ্য অংশে হয়ে রয়েছে একটি সমাধি। কথিত আছে, এটি শায়েস্তা খাঁর মেয়ের সমাধি। সমাধিটি ‘বিবির মাজার’ বলেও খ্যাত। এ কবর কোঠাটি ভেতর থেকে অষ্টকোনাকৃতি এবং বাইরের দিকে চতুষ্কোনাকৃতির। বেশ কিছুদিন আগে সমাধিক্ষেত্রটি পরিত্যক্ত এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত ছিল। বর্তমানে এটি সংস্কার করা হয়েছে। মসজিদের সামনে একটি বড় উদ্যানও রয়েছে। একসময় মসজিদের পাশ দিয়ে বয়ে যেত বুড়িগঙ্গা। মসজিদের ঘাটেই ভেড়ানো হতো লঞ্চ ও নৌকা। কিন্তু বর্তমান অবস্থায় তা কল্পনা করাও কষ্টকর। বড় দালানকোঠায় ভরে উঠেছে মসজিদের চারপাশ। সীমানা প্রাচির সহ জমি, মসজিদ, সমাধি সৌধ প্রত্নতত্ব অধিদপ্তর কর্তৃক ঘোষিত একটি সংরক্ষিত পুরাকির্তি।

Explore this Place Add to Wishlist
তারা মসজিদ

তারা মসজিদ ঢাকা

সুন্দর স্থাপত্য শিল্পটি শুধু মাত্র দেশী বিদেশী পর্যটকদের হৃদয়ে নয়, স্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশের টাকায়। নয়ানিভিরাম স্থাপনাটি প্রচলিত ১০০ টাকার নোটে সচরাচর দেখা যায়। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকার এই স্থাপনাটি কেন্দ্র করে ৫ থেকে ৫০০টাকা সিরিজের ব্যাংক নোট মুদ্রণ করে। পুরান ঢাকার আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত স্থাপনাটি নির্মান করেন তৎকালীন ব্যবসায়ী জমিদার মির্জা গোলাম পীর। এ মসজিদ নির্মিত হয় আঠারো শতকের প্রথম দিকে। সাদা মার্বেল পাথরের গম্বুজের উপর নীলরঙা তারার নকশা যুক্ত বলে স্থানীয়দের কাছে তারা মসজিদ নামে পরিচিত। তারা মসজিদের আরও কিছু প্রচলিত নাম আছে, যেমন, মির্জা গোলাম পীরের মসজিদ বা সিতারা মসজিদ। মির্জা গোলাম পীরের মৃত্যুর পর ১৯২৬ সালে মসজিদটির প্রথমবারের মত সংস্কার করা হয়। আলী জান বেপারী নামক স্থানীয় ব্যবসায়ী মসজিদটির সংস্কার করেন। তখন এই মসজিদের মোজাইকের কারুকার্যে জাপানের রঙিন চিনি-টিকরি পদার্থ ব্যবহৃত হয়। মোগল স্থাপত্য শৈলীর প্রভাব রয়েছে এ মসজিদে। ১৯৮৭ সালে শেষবারের মত সংস্কারের সময় মসজিদটিকে তিন গম্বুজ থেকে পাঁচ গম্বুজ করা হয়। মসজিদের বতর্মান দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট, প্রস্থ ২৬ ফুট। এছাড়া মসজিদের দেয়াল ফুল, চাঁদ, তারা, আরবি ক্যালিওগ্রাফিক লিপি ইত্যাদি দিয়ে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

Explore this Place Add to Wishlist
রুপলাল হাউজ

রুপলাল হাউজ ঢাকা

সদরঘাটের পাশেই ফরাশগঞ্জ, সেখানেই রুপলাল হাউজের অবস্থান। উনিশ শতকে ১৯০০ একরের বিশাল আয়তন নিয়ে রুপলাল সেন তৈরি করেছিলেন রুপলাল হাউজ। তখনকার দিনে সৌন্দর্য, জৌলুশে রুপলাল হাউজ ছিল আ্হসান মঞ্জিলের সমান সামান। খাতা কলমে রুপলাল হাউজ এখনও টিকে আছে। সময় নিয়ে চলে যেতে পারেন দেখতে। এই বাড়ী এখন পুরাটাই মশলার আড়ৎ। ফরাশগঞ্জের আদি বাসিন্দা ছাড়া হয়তো কেউ আপনাকে এই বাড়ীর সঠিক হদিস দিতে পারবে না। হারিয়ে যাবার আগের এক কালের বিখ্যাত এই বাড়ীটি দেখে আসতে পারেন। উনবিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে ব্যবসায়ী রুপলাল দাশ বাড়ীটির গোড়াপত্তন করেন। এরপর একে একে উনার বংশধররা বাড়ীটি সম্প্রসারণ করে। টাকা পয়সা দাম্ভিকতায় কোন অংশেই তৎকালীন ঢাকা নবাবদের থেকে পিছিয়ে ছিল না রুপলাল দাশের বংশধর। ৭১ স্বাধীনতা যুদ্ধ পূর্বেই দেশ ত্যাগ করে রুপলাল দাশ এর পৌত্র যোগেন্দ্র দাশ। ১৯৭৪ ইং সালে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এ পরিত্যাক্ত বাড়িটি রক্ষী বাহিনীর জন্য রিকুইজিশন করে নেন। রক্ষী বাহিনীর বিলুপ্তি ঘোষনার পর ১৯৭৬ ইং সালে রুপলাল হাউজ পরিত্যাক্ত সম্পত্তি ঘোষিত হয়। পরবর্তী সময় থেকে এ বাড়িটি পূর্ত মন্ত্রনালয়ের নিয়ন্ত্রনে আছে। বর্তমানে সংস্কারের অভাবে বাড়ীটি সেই আগের জৌলুস নেই।

Explore this Place Add to Wishlist
লালকুঠি /নর্থব্রুক হল

লালকুঠি /নর্থব্রুক হল ঢাকা

বাংলায় ঔপনেবেশিক আমলে নির্মিত ভবন গুলার মধ্যে লালকুঠি অন্যতম। তৎকালীন ভারতবর্ষের গর্ভনর জেনারেল লর্ড নর্থথব্রুক ১৮৭৪ সালে ঢাকা সফরে আসেন এবং তার এই আগমন কে স্মরনীয় করে রাখার জন্য ঢাকার প্রখ্যাত ধনীব্যক্তি জমিদার টাউন হল ধাচের একটি হল নির্মানের উদ্যোগ নেন। পরবর্তীতে এইটি নর্থব্রুক হল বা লাল কুঠি নামে পরিচিত হয়। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সহ অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তির পদধূলি পড়েছে এই ভবনে। ভবনটির নির্মানশৈলিতে ইন্দো ইসলামিক স্থাপত্য রীতির সংগে ইউরোপীয়-রেনেসাঁ উত্তর স্থাপত্য রীতির চমৎকার মিশেল ঘটেছে। ১৮৭২ সালে নির্মিত এই নর্থব্রুক হলটির ইমারতটি লালরঙ্গে রাঙ্গানো ছিল। লাল বর্ণের রং হওয়ায় স্থানীয় মানুষরা একে লাল কুঠি বলে ডাকে। বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত এই লালকুঠি ছিল এক সময় পুরান ঢাকার সাংস্কৃতিক কাজকর্মের কেন্দ্রবিন্দু। লালকুঠির মূল ভবনের ডান দিকে বড় একটি মঞ্চে নাটক হতো। এখন মঞ্চটি অবহেলায় পড়ে আছে। এই লালকুঠির আরোও একটা পরিচয় আছে। ১৯২৬ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি এখানে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ঢাকা পৌরসভা সংবর্ধনা দেয়। বুড়িগঙ্গা নদী-তীরবর্তী এই লালকুঠিতেই তাঁকে নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়া হয়। কুঠির পেছনটায় আছে শতবর্ষী একটি পাঠাগার, যা জনসন হল নামে পরিচিত। বর্তমানে লালকুঠির সেই জৌলুশ হারিয়ে গিয়েছে। ভবনটির বিভিন্ন স্থানের দেয়ালের আস্তর খসে পড়ছে। প্রধান ফটকের আস্তর খসে পড়ে ইট বেরিয়ে গেছে।

Explore this Place Add to Wishlist
খাজা শাহবাজ মসজিদ

খাজা শাহবাজ মসজিদ ঢাকা

ঢাকার দোয়েল চত্বরের একটু সামনে হাতের ডাইনে বিভিন্ন স্থাপনার পাশাপাশি কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে লাল মসজিদ। মসজিদটি লাল মসজিদ নামে পরিচিতি পায় কোনো এক সময় এর দেয়ারের রং লাল হওয়ায়। স্থানীয়রা নানা নামে চিনেন এ মসজিদটি। কেউ একে চিনেন জিনের মসজিদ বলে। কেউবা চিনেন জোড়া মসজিদ নামে। মসজিদটিকে মানুষ যে নামেই চিনুক না কেন, এর পরিবেশ খুবই নিরিবিলি। এর পাশেই সোহরাওয়ার্দি উদ্যান। আছে তিন নেতার মাজার। মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয় এখন থেকে প্রায় চারশ বছর আগে। এর জায়গাটির ওপর মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা করেন জনৈক সুফি সাধক ও ধনী ব্যবসায়ী। নাম হজরত হাজী খাজা শাহবাজ। তাঁর নামেই বেশি পরিচিত মসজিদটি। শোনা গেছে কোনো এক সময় এই মসজিদে জিনেরাও নামাজ আদায় করতো। তিন নেতার মাজারের কাছে অবস্থিত এই মসজিদটি ঢাকার অন্যতম। শায়েস্তা খান রীতিতে তৈরি তিন গম্বুজঅলা মসজিদটি ৬৮ ফুট দীর্ঘ এবং ২৬ ফুট চওড়া। খাজা শাহবাজ সর্ম্পকে ইতিহাসবিদরা ভিন্ন ভিন্ন মত দিলেও ধরে নেয়া হয় তিনি একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। কাশ্মীর থেকে আগত এই ব্যবসায়ী নির্মিত করেন এই মসজিদটি। তার মৃত্যুর পরবর্তিতে এখানেই তাকে সমাহিত করা হয়। এই সুফী সাধক জীবিত কালে নিজের জন্য সমাধি সৌধ তৈরি করে যান। এখন মসজিদটি হাজী খাজা শাহবাজ মসজিদ নামেই বেশি পরিচিত। মসজিদের পাশেই তার দরগা রয়েছে। চারটি অষ্ট কোণাকৃতির মিনার চোখে পড়ে মসজিদটির চারকোণে। তিনটি প্রবেশপথ আছে পূর্ব পাশের দেয়ালে। আর একটি করে দরজা দেখতে পাওয়া যায় দক্ষিণ ও উত্তর দেয়ালে। প্রতিটি দরজার চৌকাঠ কালো পাথর দিয়ে তৈরি করার কারণ আছে। যাতে জলবায়ুর আর্দ্রতা এগুলোর কোনো ক্ষতি বা সমস্যা করতে না পারে। এজন্য পাথরের আবরণ দেয়া হয় দেয়ালে। তিনটি আকর্ষণীয় মেহরাব দেখতে পাওয়া যায় ভেতরে পশ্চিম দেয়ালে। দেখতে বেশ সুন্দর প্রধান মেহরাবের অলংকরণ। মুসা খাঁ মসজিদের (লালবাগ কেল্লার মসজিদ) মতোই মসজিদটির স্থাপত্য নকশা। পুরান ঢাকাসহ অনেক দূর-দূরান্ত থেকে এসেও অনেকে এখানে নামাজ আদায় করেন। তবে ক্রমে মসজিদটির ঐতিহ্য ও জৌলুস হারিয়ে যাচ্ছে কালের বিবর্তনে অযত্ন-অবহেলায়। বলা যেতে পারে, এর স্থাপনা এখন প্রায় জীর্ণদশা। এটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের আওতাধীন একটি মসজিদ। তারপরও এর তেমন সংস্কার কাজ চলে না। অনেক জায়গার চুন-সুরকি খসে পড়ছে। অনেক স্থানে দেখা দিয়েছে ফাটল। আমরা চাই না মসজিদটি ক্রমে হারিয়ে যাক। অর্থাৎ এর যথাযথ সংস্কার জরুরি। এর সংস্কার কাজ হলে এখানে মুসল্লিদের সমাগম আবার বাড়বে। তাছাড়া মসজিদটি একটি ধর্মীয় দর্শনীয় স্থাপনাও। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ইতিহাস-ঐতিহ্য।

Explore this Place Add to Wishlist