ভোঁদড় দিয়ে মাছ ধরা

ভোঁদড় দিয়ে মাছ ধরা নড়াইল

নড়াইল সদরের কলোড়া ইউনিয়নের গোয়ালবাড়ি গ্রামের ২৬/ ২৭ টি জেলে পরিবার এক অতি প্রাচীনতম পন্থায় মাছ ধরে থাকেন, তারা ভোঁদড় দিয়ে মাছ শিকার করেন। ভোঁদড় দিয়ে মাছ ধরার এই প্রক্রিয়া এখন বিলুপ্ত প্রায়। ভোদড় মাছ শিকারে আসক্ত, তাদের এই আসক্তিটাকে কাজে লাগিয়ে মাছ ধরেন এখানকার জেলেরা। নৌকায় বাঁধা জাল নদীতে ফেলে দিয়ে জেলেরা ভোদড় ছেড়ে দেয়, ভোদড় মাছ তাড়া করে খেতে গেলে সেই মাছ জেলেদের জালে এসে ধরা পড়ে। ভোঁদড় কে এই পরিবারগুলো হাস- মুরগী বা অন্যান্য গৃহপালিত পশু পাখীর মত লালন পালন করেন। শিকারে যাবার আগে ভোঁদড় কে মাছ খাওয়ানো হয় ,আবার জালে যেসব মাছ ধরা পরে তার একটা অংশ ও ভোঁদড় পায়। ফলে সে জেলেদের প্রতি বিশ্বস্ত থাকে।

Explore this Place Add to Wishlist
ভাগ্যকুলের মিষ্টান্ন

ভাগ্যকুলের মিষ্টান্ন ঢাকা

ভাগ্যকুলের মিষ্টান্ন বলতে কোন নির্দিষ্ট দোকানকে বোঝানো হচ্ছে না ।ভাগ্যকুল নামক স্থানটি মিষ্টান্নের জন্য বিখ্যাত। আদি ও আসল ভাগ্যকুল মিষ্টান্ন ভান্ডারের স্বাদ পেতে হলে আপনাকে ভাগ্যকুল বাজারে গোবিন্দ মিষ্টান্ন ভান্ডারে যেতে হবে। এখানের সন্দেশ, ছানা, চমচম আপনাকে দিবে এক অনন্য স্বাদের অভিজ্ঞতা। মিষ্টি প্রেমীদের জন্য ভাগ্যকুল মেলে আছে তার রকমারি মিষ্টির বাহার। গোবিন্দ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার থেকে বের হয়ে ঠিক পাশেই আছে "চিত্তরঞ্জন মিষ্টান্ন ভাণ্ডার" যার ঘোলের স্বাদ অতুলনীয়। যদিও অন্যান্য মিষ্টান্নও এখানে পাওয়া যায়, তবে চিত্তরঞ্জন ঘোলের জন্যই বিখ্যাত।

Explore this Place Add to Wishlist
মৈনট ঘাট

মৈনট ঘাট ঢাকা

মৈনট ঘাটের পূর্ব দিকে আছে বিশাল চর আর সামনে বিস্তীর্ণ পদ্মা৷ এই ঘাটের সৌন্দর্য্যে মুগ্ধ হয়ে মানুষ একে ‘ছোট কক্সবাজার’ বা ‘মিনি কক্সবাজার’ নামে ডাকতে শুরু করেছে৷ নৌকা বা স্পিডবোটে করে পদ্মা ঘুরে বেড়ানো যায় ,আট জনের চড়ার উপযোগী একটি স্পিডবোটের ভাড়া আধ ঘণ্টার জন্য দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা৷ এছাড়া আড়াইশ থেকে ৮শ’ টাকা ঘণ্টায় ইঞ্জিন নৌকায় চার থেকে ২০-২৫ জন একসঙ্গে ঘুরে বেড়ানো যায়৷ অবশ্যই লাইফ জ্যাকেট ছাড়া ভ্রমন করা ঠিক হবে না। উল্লেখ্য খুব ভোরে ঘাটে পদ্মার মাছের বাজারের পসার বসে।

Explore this Place Add to Wishlist
খেলারাম দাতার বাড়ি

খেলারাম দাতার বাড়ি ঢাকা

খেলারামকে নিয়ে এ অঞ্চলে অনেক কাহিনী প্রচলিত আছে। যেমন, খেলারাম দাতা ছিলেন বিখ্যাত ডাকাত সর্দার।কিন্তু সে খুব দানশীল ছিলেন, গরিব-দুঃখীদের সাহায্য করতেন । এই বাড়ি থেকে ইছামতির পার পর্যন্ত একটি সুড়ঙ্গ পথ ছিল, এই পথেই ধনসম্পদ বাড়িতে নিয়ে আসত খেলারাম দাতা। বর্তমানে বাড়িটি সংস্করণ করা হয়েছে। আগে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করা যেত, সুরঙ্গ, মন্দির সবকিছু ঘুরে ঘুরে দেখা যেত, কিন্তু বর্তমানে বাড়ি ভেতরে প্রবেশ নিষিদ্ধ বিধায় বাইরে থেকেই এর সৌন্দর্য অবলোকন করে ফিরে আসতে হবে।

Explore this Place Add to Wishlist
কোকিলপেয়ারী জমিদার বাড়ি

কোকিলপেয়ারী জমিদার বাড়ি ঢাকা

ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জের কলাকোপা’র এই ঐতিহাসিক জমিদার বাড়িটি নির্মাণ করেন জমিদার ব্রজেন রায়,যার আরেক নাম ছিল সুদর্শন রায়। প্রায় ২০০ বছর পূর্বে কোকিলপেয়ারী’র এই জমিদার ব্রজেন রায় নির্মাণ করেন তার এই কারুকার্যময় জমিদার বাড়ি ‘ব্রজ নিকেতন’। চার একরের উপর জমিতে নির্মিত এই জমিদার বাড়িটি বাগান ঘেরা এক অপরূপ নির্মাণশৈলীতে নির্মিত হয়েছিল, যা আজো দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। বর্তমানে এটি স্থানীয় শিক্ষক নিবাস হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

Explore this Place Add to Wishlist
ইনসার আলীর খুদের ভাত

ইনসার আলীর খুদের ভাত ঢাকা

খুদের ভাত বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী নাস্তা হিসেবে বেশ পরিচিত, খুদের ভাত অনেক জায়গায় বৌ ভাত, খুদের ভাকা নামেও পরিচিত। ইনসার আলী এখানে খুদের ভাত মরিচ ভর্তা, সরিষা, শুটকি , ধনে পাতা, আলু ,বেগুন ভর্তা , আর ডিম ভাজা দিয়ে পরিবেশন করেন, প্রতি প্লেটের বর্তমান মূল্য ৪০ টাকা। ইতিমধ্যে এই খুদের ভাতের স্বাদের সুখ্যাতি বেশ ছড়িয়ে পড়েছে।এর সন্ধান মূলত খুঁজে বের করেন ঢাকার বিভিন্ন সাইকেলিস্ট গ্রুপ, তারা এর সন্ধান সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়াতে এর পরিচিতি পায়। রোজ প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জন খাদ্য রসিকের ভিড় জমে এখানে।

Explore this Place Add to Wishlist