শিমুল বাগান

শিমুল বাগান সিলেট

উত্তর বড়বদল ইউনিয়নের সুদৃশ্য জাদুকাটা নদীর তীর ঘেঁষেই মানিগাঁও গ্রাম, এ গ্রামে জয়নাল আবেদীনের ১০৭ কেয়ার (১ কেয়ার সমান ৩০ ডেসিমেল) জায়গা একেবারেই অনাবাদী ছিল। পলির পরিবর্তে এখানে উজান থেকে ভেসে আসে বালি। হঠাৎ সে আবিষ্কার করে জায়গাটির পাশে দুটো পরিণত শিমুল গাছ, তখন তাঁর মাথায় শিমুল বাগান করার ধারনাটা উৎপত্তি হয়। এবং তিনি তাই করেন, ২০০২ সালের দিকে শুরু করেন শিমুল বাগানের কাজ। প্রথমেই নির্দিষ্ট দূরত্বে গর্ত করে সেখানে প্রাকৃতিক সার দিয়ে মাটি প্রস্তুত করে তারপর সেখানে লাগিয়ে দিলেন ৩ হাজার শিমুলের চারা। আজ লালে লাল তাঁর শিমুল বাগান, সে এক মনোহরণ দৃশ্য। শিমুল গাছের মাঝে মাঝে লেবু গাছও লাগানো হয়েছে। জয়নুল আবেদীন আর বেঁচে নেই, তাঁর অবর্তমানে তাঁর ছেলে এই বাগানের দেখভাল করেন। তিনি বেঁচে নেই তবে তাঁর তৈরি বাগানের সৌন্দর্য তাকে ভ্রমনপ্রেমী মনে বাচিয়ে রাখবে আজীবন।

Explore this Place Add to Wishlist
বারেক টিলা ও যাদুকাটা নদী

বারেক টিলা ও যাদুকাটা নদী সিলেট

নান্দনিক সৌন্দর্যে ঘেরা বারেকটিলা সংলগ্ন অপরূপ মায়াবী নদী যাদুকাটায় প্রতিদিনই নৌ-বিহারে আসেন প্রকৃতিপ্রেমীরা।যাদুকাটা নদী ও বারেক টিলার নয়নাভিরাম দৃশ্য আরও মনোরম হয়ে উঠে বর্ষায়, বর্ষায় পাহাড়ী নদী দুকাটার বহমান স্রোতধারা আরও বেড়ে যায়, পরিস্কার টলটলে পানিতে থৈ থৈ করে এই নদী।আর হেমন্তে শুকিয়ে যাওয়া যাদুকাটার বুক জুড়ে ধু ধু বালিচর। তবে তখনও পানি স্বচ্ছ থাকে।যাদুকাটা নদীর পানির তোড়ে বালির সাথে মিশে আসা নুড়ি, পাথর কয়লা ঠ্যালা জালে ছেঁকে ধুয়ে মহাজনদের কাছে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন এখানকার অনেক নারী- পুরুষ। জাদুকাটা নদী থেকে হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যায় শাশ্বত সবুজে ঘেরা বারেক টিলা। বারেক টিলায় ঘুরে ঘুরে জাদুকাটা নদীর প্রকৃত রূপ উপভোগ করা সম্ভব।

Explore this Place Add to Wishlist
টাংগুয়ার হাওড়

টাংগুয়ার হাওড় সিলেট

চারিদিকে অথৈ জল আর পাহাড়ের অপরূপ দৃশ্যে ঘেরা সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওর।মেঘালয়ের খাসিয়া, জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে সারি সারি হিজল-করচ বিন্যাস, পাখিদের লকাকলিতে মুখরিত হাওরটি। বিভিন্ন রকমের মাছ, পাখি এবং অন্যান্য জলজ প্রাণীদের এক বিশাল অভয়াশ্রম টাঙ্গুয়ার হাওর। নলখাগড়া বন, হিজল করচ বনসহ বর্ষাকালে সমগ্র হাওরটির আয়তন দাড়ায় প্রায় ২০,০০০ একর। তবে শীতকালে পানি শুকিয়ে যায়।বর্তমানে এ হাওরে রয়েছে প্রায় ছোট বড় ১৪১ প্রজাতির ২০৮ প্রজাতির পাখি, ১ প্রজাতির উভচর প্রাণী, ৩৪ প্রজাতির সরীসৃপ, ৬ প্রজাতির কচ্ছপ, ৭ প্রজাতির গিরগিটি এবং ২১ প্রজাতির সাপ। তবে শীতকালে সব রেকর্ড ভেঙ্গে হাজার হাজার পাখির মেলা বসে এই বিশাল জলরাশির বুকে। বিলুপ্ত প্রায় প্যালাসেস ঈগল, বৃহদাকার গ্রে-কিংষ্টর্ক, শকুন এবং বিপুল সংখ্যক অতিথি পাখি টাঙ্গুয়ার হাওরের অবিস্মরণীয় দৃশ্য। ভ্রমনপিপাসুদের মনের তৃপ্তি বাড়াতে টাঙ্গুয়ার হাওর অতুলনীয়।

Explore this Place Add to Wishlist
কেওড়া রেস্টুরেন্ট

কেওড়া রেস্টুরেন্ট খুলনা

মাত্র আড়াই মাস আগে তৈরি হওয়া এই রেস্টুরেন্টের নাম বেশ ছড়িয়েছে এর মাছের বার বি কিউয়ের স্বাদের জন্য। এখানে মাছের বার বি কিউ ছাড়া হাঁস ভুনা ,চুইঝালের গরুর গোশত ও পাওয়া যায়। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঠিক পাশে হওয়াতে বিকাল থেকেই এখানে ভিড় জমান ছাত্র ছাত্রীরা । এখানে নানারকম সামুদ্রিক মাছের ফ্রাই পাওয়া যায়, তাই ভোজনরসিকগণ অবশ্যই খুলনা গেলে এর স্বাদ নিতে ভুলবেন না।

Explore this Place Add to Wishlist
কার্ত্তিক কুন্ডুর মিষ্টান্ন ভান্ডার

কার্ত্তিক কুন্ডুর মিষ্টান্ন ভান্ডার নড়াইল

নড়াইলের কার্ত্তিক কুন্ডুর মিষ্টান্ন খুব বিখ্যাত।এই মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের বিশেষত্ব এদের বিশুদ্ধতা। এখানে বাসি মিষ্টি পাওয়া যায় না, বিশুদ্ধতাই এদের পরিচিতিকে বাড়িয়ে দিয়েছে। এদের নরেল গুঁড়ের সন্দেশ, ছানা, ক্ষীরের সন্দেশ খ্যাতি অনেক এছাড়াও এখানে আছে রসমালাই, ছানার জিলাপী, দই, কালোজাম, চমচম। বংশপরম্পরায় কার্ত্তিক কুন্ডুর মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের ব্যবসা চলে আসলেও এদের আর কোন শাখা নেই।

Explore this Place Add to Wishlist
এস এম সুলতানের সংগ্রহশালা

এস এম সুলতানের সংগ্রহশালা নড়াইল

চিত্রা নদীর পাড়ে নড়াইল শহরের মাছিমদিয়া এলাকায় বিশ্বেবরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের স্মৃতি বিজড়িত সংগ্রহশালাকে কেন্দ্র করে সুলতান কমপ্লেক্স গড়ে উঠেছে। প্রায় ২৭ একর এলাকায় জুড়ে আছে দুর্লভ নানা প্রজাতির গাছের সমারোহ। এখানে এসএম সুলতানকে সমাধি রয়েছে । সমাধি সৌধের সামনেই রয়েছে শিল্পীর আদি বাড়ির খানিক অংশ। এই কমপ্লেক্সে সুলতানের ব্যবহৃত জিনিস, শিল্পকর্ম রাখা আছে।সুলতান শিশুদের ছবি আঁকা শেখাতে তৈরি করেছিলেন “ শিশু স্বর্গ” নামে একটি বজরা, বজরাটি তার বাড়ি ঘেঁষে চিত্রা নদীর পাড়ে সংগৃহীত আছে।

Explore this Place Add to Wishlist