ক্লাম্বিং প্রশিক্ষণ

ক্লাম্বিং প্রশিক্ষণ চট্টগ্রাম

মাউন্টেনিয়ার মীর শামসুল আলম বাবু ভাই মূলত বাংলাদেশে ক্লাইম্বিং এর প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন। বেশীর ভাগ সময় তিনি খৈয়াছড়া ঝর্নার ৩য় বা ৫ম ধাপে ক্লাইম্বিং নিজেও প্র্যাকটিস করেন এবং উৎসুক প্রশিক্ষনার্থীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন। ক্লাইম্বিং এর উপর অনেক গুলো কোর্স তিনি করেছেন ,বাংলাদেশে যেহেতু সলিড রক নেই তাই ক্লাইম্বিং বা এরকম আউটডোর স্পোর্টস এখনো জনপ্রিয় হচ্ছে না ।তবে যারা আগ্রহ নিয়ে শিখছে তারা দেশের বাইরে গিয়ে ও ক্লাইম্বিং করতে আগ্রহী হচ্ছে। এডভেঞ্চার প্রেমী মানুষ জন চাইলে ঝর্নার উপর থেকে নীচ পর্যন্ত র‍্যাপলিং,জুমারিং বা এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত রিভার ক্রসিং করতে ও শিখতে পারেন।

Explore this Place Add to Wishlist
খৈইয়াছড়া ঝর্না ট্রেইল

খৈইয়াছড়া ঝর্না ট্রেইল চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম উত্তর বনবিভাগের বারৈয়াঢালা জাতীয় উদ্যানের ভেতরে অপরূপ এই জলপ্রপাতের অবস্থান। নয়টি বড় ধাপে এই জলপ্রপাত থেকে অনবরত ঝরছে পানি,খৈয়াছরা এলাকার পাহাড়ে অবস্থান বলে এর নামকরণ করা হয়েছে খৈয়াছরা ঝর্না ।বাঁশের সাঁকো, ধানক্ষেত, আঁকা-বাকা পাহাড়ী পথ, ছরা এবং ৪টি সু-পাহাড় পেরিয়ে যেতে হবে প্রকৃতির এই বিস্ময় সান্নিধ্যে।

Explore this Place Add to Wishlist
চালের গুড়ার চা

চালের গুড়ার চা সিলেট

জসিম ২ বছর ধরে ‘গাউসিয়া স্টোর’ নামের এই দোকান দিয়েছেন।এখানে পাওয়া যায় এক আনকমন চা। ভিন্নস্বাদের চা বলে মাত্র ২ বছরে এর নামডাক বেশ ছড়িয়ে গেছে। তিনি এই চায়ে ভাজা চালের গুঁড়া ব্যবহার করেন। গরম পানিতে চা পাতা , গুঁড় বা চিনি এবং চালের গুঁড়া দিয়ে তিনি চা বানান।চায়ের সাথে চালের গুড়া ও চামচে করে খেতে হয়। চা প্রেমীরা শায়েস্তাগঞ্জে গিয়ে গাউসিয়া স্টোরের চালের গুঁড়ার চা খেতে ভুলবেন না।

Explore this Place Add to Wishlist
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান মৌলভীবাজার

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায়,শ্রীমঙ্গল থেকে প্রায় দশ কিলোমিটার দূরে শ্রীমঙ্গল-ভানুগাছ (কমলগঞ্জ) সড়কের পশ্চিম পাশে জাতীয় এ উদ্যানের প্রবেশপথ।লাউয়াছড়া উদ্যানের ইতিহাস বেশ পুরানো। ধারনা করা হয় ব্রিটিশ সরকার ১৯২৫ সালের দিকে সর্বপ্রথম এ অঞ্চলে বৃক্ষায়ন শুরু করে এবং এসব গাছপালা বেড়েই লাউয়াছড়া বনের সৃষ্টি হয়। প্রায় ২,৭৪০ হেক্টর এলাকা নিয়ে বিস্তৃত বনের অস্তিত্ব ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্যে এই বনের প্রায় ১,২৫০ হেক্টর এলাকাকে ১৯৭৪ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ, সংশোধন) আইন অনুযায়ী ১৯৯৬ সালে জাতীয় উদ্যানের মর্যাদা দেওয়া হয়।এই বনে রয়েছে ৪৬০ প্রজাতির দুর্লভ বন্যপ্রাণী ও গাছপালা, এর মাঝে রয়েছে ১৬৭ প্রজাতির উদ্ভিদ, চার প্রজাতির উভচর, ছয় প্রজাতির সরিসৃপ, ২০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী ও ২৪৬ প্রজাতির পাখি। এই উদ্যানের অন্যতম আকর্ষণ বিলুপ্তপ্রায় উল্লুক। উল্লুকের একটি পরিবার বসবাস করে। এছাড়া এ বনে আরও দেখা যায় চশমা বানর, মুখপোড়া হনুমান, লজ্জাবতী বানর, মেছো বাঘ, শিয়াল, মায়া হরিণ ইত্যাদি । জানা যায় এই উদ্যানে আছে অজগরসহ নানারকম সাপ,পাখিদের মধ্যে আছে— সবুজ ঘুঘু, বনমোরগ, হরিয়াল, তুর্কিবাজ, কালো মাথা টিয়া, লেজকাটা টিয়া, কালো ফর্কটেইল, ধুসর সাতশৈলী, কালো বাজ, হিরামন, কালো মাথা বুলবুল, ধুমকল, পেঁচা, ফিঙ্গে, সবুজ সুইচোরা, সবুজ কোকিল, পাঙ্গা, কেশরাজ ইত্যাদি।উঁচু নিচু পাহাড়ি টিলার মাঝে মাঝে এ বনে চলার পথ। এখানকার মাটিতে বালুর পরিমাণ বেশি। বনের ভেতর দিয়েই বয়ে গেছে বেশ কয়েকটি পাহাড়ি ছড়া। বর্ষাকালে এসব ছড়াগুলোর বেশিরভাগই পানিতে পূর্ণ থাকে। আর যে কটি ছড়ায় শুষ্ক মৌসুমে পানি থাকে সেসব এলাকায় বন্যপ্রাণীদের আনাগোনা থাকে।উদ্যানে বেড়ানোর তিনটি পথ আছে। একটি তিন ঘণ্টার, একটি এক ঘণ্টার এবং অপরটি আধ ঘণ্টার পথ। উদ্যানের ভেতরে একটি খাসিয়া পল্লীও আছে।

Explore this Place Add to Wishlist
মালনীছড়া চা বাগানের ট্রেইল

মালনীছড়া চা বাগানের ট্রেইল সিলেট

উপমহাদেশের প্রথম চা বাগান মালনীছড়া চা বাগান। সবুজ সতেজ চা-বাগানে টিলার ভেতর দিয়ে হেটে যেতে যেতে দেখা মেলে পাশে বয়ে যাওয়া পানির প্রবাহ। উঁচু উঁচু টিলা, তার উপর রাবারবাগান।পথে পথে রাবারের রস আর চা-পাতা সংগ্রহের মনোরম দৃশ্য। ঘন সবুজের মেলা এই চা বাগানে।চা বাগান নিয়ে ভ্রমণপ্রেমীদের কৌতূহলের তৃপ্তি দিতে পারে এই চা বাগান। বানরের ঝাঁক হঠাৎ রাস্তা আটকাতে পারে। বিভিন্ন প্রাজাতির বানরের দেখা মেলে এই ট্রেইলে।সাইকেল ,মোটর বাইক বা হেঁটে এই ট্রেইলে ঘুরে বেড়ানো এক দারুন অভিজ্ঞতা হতে পারে।

Explore this Place Add to Wishlist
হারুং হুরুং গুহাঃ

হারুং হুরুং গুহাঃ সিলেট

মালিনী ছড়া চা বাগান পাড় হয়ে পৌছায় এই গুহায় সামনে, এখানে পাশাপাশি দুটি গুহা আছে। কালের বিবর্তনে মাটি পড়ে গুহাটির ভেতরে বেশী দূর যাওয়া যায় না। কথিত আছে হিন্দু রাজা গৌরগোবিন্দ হযরত শাহজালাল (রঃ) এর হাতে যুদ্ধে পরাজয় নিশ্চিত বুঝে এই গুহা দিয়ে পালিয়ে যান। হারুং মানে দুর্গম পথ পাড়ি দেয়া, হুরুং মানে সুরঙ্গ। স্থানীয় হিন্দু চা শ্রমিকদের বিশ্বাস রাজা পালিয়ে যাওয়ার পর এই গুহায় ৩৩ কোটি দেবদেবতার বসবাস, এবং কেউ যদি এই গুহা পার হতে চায় তবে সেই ৩৩ কোটি দেবতার প্রত্যেককে এক পয়সা করে দিয়ে ৩৩ কোটি পয়সা দিয়ে পার হতে হবে। চারিদিকে পাখির কলতান, ঘন সবুজে ঘেরা এই হারুং হুরুঙ্গের গুহা।

Explore this Place Add to Wishlist