মহাদেব মিষ্টান্ন ভাণ্ডার

মহাদেব মিষ্টান্ন ভাণ্ডার ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মহাদের মিষ্টান্ন ভাণ্ডার ১৫৩ বছরের পুরনো ঐতিহ্য ধরে রেখেছে।মহাদেব পাঁড়ের প্রতিষ্ঠিত এই মিষ্টির দোকান ৪ বংশ ধরে চলে আসছে , জানা যায় , ব্রিটিশ রাজত্বকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মহাদেব পাঁড়ের তৈরি ছানামুখী / ছানা মুড়কী খ্যাতি উপমহাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। এই সুত্র অনুযায়ী ছানা মুড়কী নামে এই বিশেষ মিষ্টির অবিস্কারক মহাদেব পাঁড়ে।এখানে অনেক ধরণের মিষ্টির মাঝে ছানা মুড়কী , আর রসগোল্লা বেশ নামকরা।এরা এই সুখ্যাতির কারন এর বিশুদ্ধতা বলে মনে করেন। মহাদেব মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের সুখ্যাতির বড় অর্জন হলো তাদের নামে ওই এলাকার নামকরণ করা হয়েছে “ মহাদেব পট্টি” ।

Explore this Place Add to Wishlist
কার্তিক দাদার পান

কার্তিক দাদার পান ব্রাহ্মণবাড়িয়া

শেরপুরের রঘুনাথ বাজারের কার্ত্তিক দাদার পানের দোকান। যা পুরো শেরপুরের মানুষ এক নামে চেনে। দোকানের নাম ‘তাপস স্টোর’। প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে গভীর রাত ২ টা পর্যন্ত এই পান বানিয়ে বিক্রি করেন কার্তিক নামের এই ভদ্রলোক। প্রতিদিন প্রায় ৮০-৯০ বিরা ( এক বিরা= ৮০ পিস পান) পান এই ছোট্ট দোকান থেকে বিক্রি হয় । পান বিলাসী মানুষদের জন্য একবার হলেও কার্তিকের পানের স্বাদ শেরপুর গেলে নেয়া আবশ্যক। এত দ্রুত কিভাবে সঠিক ভাবে তিনি সারাদিন পান বানান তা এক রহস্য।

Explore this Place Add to Wishlist
ভাটিয়ারীর জাহাজ সামগ্রী

ভাটিয়ারীর জাহাজ সামগ্রী চট্টগ্রাম

স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় কর্ণফুলি নদীতে ডুবে যাওয়া আল-আববাস নামের পাকিস্তানি নৌ-বাহিনীর একটি জাহাজ ১৯৭৪ সালে চট্টগ্রামের ভাটিয়ারীর সমুদ্রোপকূলে ভাঙ্গা হয়। তবে বিদেশ থেকে পরিত্যক্ত জাহাজ কিনে এনে বাণিজ্যিকভাবে ভাঙ্গার প্রক্রিয়াটি শুরু হয় ১৯৮০র দশকে। এর পর থেকে ধীরে ধীরে বাংলাদেশে এ শিল্পের প্রসার হতে থাকে। বর্তমানে বাংলাদেশের জাহাজভাঙ্গা শিল্প শীর্ষ স্থানে আছে। জাহাজ ভাঙ্গার এই শিল্পকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে ভাটিয়ারীর জাহাজ সামগ্রীর এই মার্কেট, এখানে পাওয়া যায় পুরনো জাহাজ থেকে সংগৃহীত আসবাব, স্যানিটারি পণ্য, ক্রোকারিজ সামগ্রী, নৌযানে ব্যবহূত পণ্য,পাইপ, তামা-পিতল, প্লাস্টিক, কাঠ, পুরনো ইঞ্জিন, কাচ, নাট বল্টু, জাহাজের পুরনো তেল, চেয়ার-টেবিলসহ হাজারো রকমের সামগ্রী। এডভেঞ্চার প্রিয় মানুষদের জন্য এখানে রয়েছে অনেক প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস ,যেমন – ক্লাইম্বিং রোপ, ক্যারাবাইনার, বাইনোকুলার, মনোকুলার, লাইট, ফ্লেয়ার, গগলস, লাইফ জ্যাকেট,কম্পাস ইত্যাদি।

Explore this Place Add to Wishlist
খন্ডলের রসগোল্লা

খন্ডলের রসগোল্লা কুমিল্লা

সত্তরের দশকে যোগাল দাশ তৈরি করেন এই মিষ্টি।অল্পদিনের মাঝে তার তৈরি মিষ্টির সুখ্যাতি ছরিয়ে পড়ে। ১৯৭০ সালে খন্ডল স্কুলের পাশে একটি ছোট দোকান দেন যোগাল।গরুর দুধের সাথে সামান্য ময়দা, আর চিনি দিয়ে তৈরি করা হয় এই মিষ্টি।এখানে রস ছাড়া/ সহ স্পঞ্জের মিষ্টি ,রসমালাই,দই ইত্যাদি পাওয়া যায়।সুস্বাদু এই রসগোল্লার স্বাদ মিষ্টি প্রিয় মানুষকে তৃপ্ত করবেই। ৯০ এর দশকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাঁর নির্বাচনী এলাকায় পরশুরাম –ফুলগাজীতে আসলে তাকে মিস্টিমুখ করানো হয় এই খন্ডালের রসগোল্লা দিয়ে ,যা খেয়ে প্রধানমন্ত্রী খুবই সন্তস্ট হোন। এর পর তিনি ফেনীতে আসলেই এই মিস্টি অর্ডার দিয়ে নিতেন, তা থেকে আর ও বেশী প্রচার পায় খন্ডালের রসগোল্লা। এখনো প্রতি দিন দূর দূরান্ত থেকে মানুষ পরশুরাম উপজেলার খন্ডলের রসগোল্লা কিনতে আসে।

Explore this Place Add to Wishlist
ট্রাক হোটেল

ট্রাক হোটেল কুমিল্লা

বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার মহাসড়কে এ ধরণের খাবার হোটেল থাকে যেখানে ট্রাক চালকেরা খেয়ে থাকে।এই হোটেলগুলো ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে। আমরা মহাসড়ক দিয়ে ভ্রমণের কালে দেখতে পাই অনেকগুলো ট্রাক একজায়গায় জড়ো হয়ে আছে ,এই হোটেলগুলো মূলত সেখানেই থাকে। মাসের পর মাস রাস্তায় কাটাতে হয় বলে ট্রাক চালকেরা বিভিন্ন স্বাস্থ্যকর, রুচিকর খাবার জায়গা খুঁজে নেয় তাদের প্রাত্যহিক খাবারের জন্য। এই হোটেলগুলোর খাবার বেশ মজাদার হয়ে থাকে। এই খাবার হোটেলগুলোর মাঝে কুমিল্লা-ঢাকা মহাসড়কে চৌদ্দগ্রামে আল মক্কা ট্রাক হোটেল উল্লেখযোগ্য। খুব বেশিদিন হয়নি , মাত্র চার বছর ধরে শুরু করেছেন আল মক্কা ট্রাক হোটেলের যাত্রা কিন্তু এর খাবারের মান , পরিচ্ছন্নতা যেকোনো নামী দামী হোটেলকে হার মানাবে।এখানে ভাত, গরু/মুরগির গোশত, সবজি , মাছ ছাড়াও সকালের নাস্তা পাওয়া যায়। ঢাকা কক্সবাজার হাইওয়ের বেশীর ভাগ বাস ই চৌদ্দগ্রামে খাবারের জন্য যাত্রা বিরতি দিয়ে থাকে। কিন্ত সেসব অত্যন্ত দামী রেস্টুরেস্টের থেকেও মজার খাবার এসব সাধারন ট্রাক হোটেল পরিবেশন করে থাকে।

Explore this Place Add to Wishlist
আসল মাতৃভান্ডার

আসল মাতৃভান্ডার কুমিল্লা

ঢাকা – চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লার কয়েক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে শুধু “মাতৃভান্ডার” নামের মিষ্টির দোকান আছে কমপক্ষে ৭০টির মত। কুমিল্লা শহরের আশে পাশের এলাকায় আরও শতাধিক মিষ্টির দোকান আছে এই একই নামে। শুধুমাত্র ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে মাতৃভান্ডারের সাথে “ নিউ” “প্রসিদ্ধ” “আদি” শব্দ জুড়ে দিয়ে দোকান খুলে বসেছেন ব্যবসায়ীরা। মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে কিনছেন মিষ্টি এই দোকানগুলো থেকে যদিও আসল “মাতৃভান্ডার” আজও টিকে আছে তার সেই বহুবছরের অর্জিত সুনাম নিয়েই। কুমিল্লার মনোহরপুরে আসল মাতৃভাণ্ডার অবস্থিত, দোকানটির সামনে লাইন ধরে ক্রেতারা মিষ্টি সংগ্রহ করেন। মাতৃভান্ডারের রসমালাই বেশ নামকরা, বানানোর ২ থেকে ৩ ঘণ্টার মাঝে রসমালাই শেষ হয়ে যায়। কোন ত্রেতা একবারে ৪/৫ কেজি রসমালাই কিনতে পারেন না, এই কৌশল মাতৃভান্ডার নিয়েছেন যাতে কেউ তাদের রসমালাই কিনে নিয়ে বিক্রি না করতে পারেন এই উদ্দেশ্যে।

Explore this Place Add to Wishlist