হিলি সীমান্ত

হিলি সীমান্ত জয়পুরহাট

হিলি সীমান্ত দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলায় অবস্থিত। এই সীমান্তে ইমিগ্রেশন ও ল্যান্ড পোর্ট আছে যা দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এদেশ ও ওইপাড়ে ভারতে যাতায়াত করে। এখানের সীমান্তটি ভাগ হয়েছে রেল লাইন দ্বারা। রেলগাড়ি চলে বাংলাদেশ অংশে। হিলি সীমান্ত দেখতে এবং সীমান্তের হাট থেকে পন্য কিনতে দূর দূরান্ত থেকে প্রতিদিন মানুষ আসে।

Explore this Place Add to Wishlist
সান্তাহার রেলওয়ে জংশন

সান্তাহার রেলওয়ে জংশন নওগাঁ

জংশন স্টেশনের জন্য বিখ্যাত উত্তরের ঐতিহাসিক সান্তাহার জংশন ষ্টেশন। ত্রিমুখী রেলের সংযোগস্থল এবং নওগাঁ ও বগুড়া এই দুই জেলার মোহনায় অবস্থিত এই ষ্টেশনটি নানা দিক দিয়ে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।নওগাঁ জেলা শহর থেকে মাত্র ৫কিমিঃ দূরত্বে অবস্থিত বৃটিশ আমলের এই রেলওয়ে জংশনটি শুধু ব্রড গেইজ লাইনে ট্রেন চলাচলের সময় ‘সান্তাহার ষ্টেশন’ নামে পরিচিত ছিল। অবিভক্ত ভারতের উত্তরবঙ্গ ও আসাম, ত্রিপুরা ও নাগাল্যান্ডের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার যোগাযোগ সহজতর করার লক্ষ্যে সান্তাহারকে সংযুক্ত করে পূর্ব দিকে বগুড়া হয়ে দিনাজপুর, রংপুর ও লালমনিরহাটে যাওয়ার আরো একটি রেললাইন (মিটারগেজ) নির্মিত হলে ‘সান্তাহার ষ্টেশন’ তখন সান্তাহার জংশন ষ্টেশনে পরিণত হয়।উত্তরাঞ্চলে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম এ জংশন ষ্টেশন দিয়ে প্রতিদিন শত শত যাত্রী যাতায়াত করে।

Explore this Place Add to Wishlist
দুধকুমার সেতু

দুধকুমার সেতু কুড়িগ্রাম

১৮৮৭ সালে ব্রিটিশরা তাদের সৈন্য ও রসদ আনা নেয়ার জন্য লালমনিরহাট থেকে ভুরুংগামারি হয়ে ভারতের গৌহাটি পর্যন্ত রেল লাইন স্থাপন করে। তার ই অংশ হিসেবে দুধকুমার নদীর উপর বঙ্গ সোনাহাট রেলওয়ে ব্রীজটি নির্মান করা হয়েছিল। ব্রীজটি প্রায় ১২০০ ফুট লম্বা। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধারা বোমা মেরে এই সেতুর একটি অংশ উড়িয়ে দিয়েছিল, স্বাধীনতার পরে তৎকালীন সরকার স্টিলের পাত বসিয়ে সেতুটি মেরামত করে সড়ক যোগাযোগ চালু করে। বর্তমানে এটি সাধারন ব্রীজের মত ব্যবহৃত হচ্ছে। কিন্ত এই ব্রীজটি মূলত ছিল রেল পারাপারের জন্য যা হয়ত এখন অনেকের ই অজানা।

Explore this Place Add to Wishlist
চিনি মসজিদ

চিনি মসজিদ নীলফামারী

নীলফামারীর সৈয়দপুর ঐতিহ্যবাহী দুর্লভ স্থাপনাগুলোর মধ্যে “চিনি মসজিদ” বা “চীনা মসজিদ” অন্যতম। ১৮৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এই মসজিদ। কলকাতা  থেকে  ২৪৩টি শংকর মর্মর  পাথর এনে  মসজিদে অলঙ্কৃত করা হয়,পুরো মসজিদটি চীনামাটির  টুকরা  দিয়ে আবৃত  করতে  বগুড়ার একটি গ্লাস ফ্যাক্টরি মসজিদে ২৫ মেট্রিক টন চীনামাটির  পাথর দান করে, এই পাথরেই  তৈরি হয় মসজিদের ৩২টি  মিনার এবং  ৩টি  বড় গম্বুজ। এই স্থাপনায় আছে উত্তর ও দক্ষিণে  দু’টি  ফটক। সম্পূর্ণ  মসজিদ  সাজানো হয় রঙিন চকচকে পাথর দিয়ে। বারান্দা বাঁধানো  হয় সাদা মোজাইকে । নানান রকমের সুদৃশ্য নকশা দেয়াল জুড়ে। চীনামাটি  দিয়ে তৈরি বলে এর নাম হয়  ‘চিনিমসজিদ’ ।

Explore this Place Add to Wishlist
গজনী বর্ডার রোড

গজনী বর্ডার রোড কুড়িগ্রাম

বাংলাদেশ ও মেঘালয়ের সীমান্ত ঘেষে জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলা থেকে একেবারে সুনামগঞ্জ পর্যন্ত যে রাস্তা গিয়েছে তা স্থানীয়দের কাছে বর্ডার রোড নামে পরিচিত। এ রাস্তা কখনো ভাঙ্গা চোড়া, কখনো মাটির কখনো পাকা ,আবার কখনো ইট বিছানো। জামালপুরের বকশীগঞ্জ দিয়ে ঢুকলে এই রাস্তায় বেশ কিছু উচু নীচু টিলা অতিক্রম করে যেতে হয়। যা সত্যি অপূর্ব। হাতের বায়ে উত্তর দিকে সব সময় মেঘালয়ের পাহাড় শ্রেনী হাতছানি দিয়ে ডাকবে। বাংলাদেশ বন বিভাগের অনেক গুলো বন বিট ও রেঞ্জ রয়েছে এই পথে। এই পথের অন্যতম আকর্ষনীয় ও ভয়ের দিক বাংলাদেশ অংশে ফসল ফললে মেঘালয়ের পাহাড় থেকে প্রায় রাতেই বন্য হাতীর আক্রমন ঘটে । হাতী তাড়াতে গিয়ে এ অঞ্ছলের অনেক মানুষ মারা যায় প্রতি বছর।হাতীর আক্রমন ঠেকাতে বর্তমানে ইলেক্ট্রিফায়েড তারকাটা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার ।ফসলের দিনে পথে প্রায়শই হাতীর বিষ্টা ও ফসলের ক্ষেতে হাতীর পায়ের ছাপ দেখা যায়। এ পথে গারো আদিবাসীর মানুষদের ও বাস। তাদের গ্রাম গুলোও চাইলে ঘুরে দেখা যায়। বাংলাদেশের অন্যতম সুন্দর ও নীরব রাস্তা এই বর্ডার রোড টি।

Explore this Place Add to Wishlist
ব্রহ্মপুত্র নদ

ব্রহ্মপুত্র নদ কুড়িগ্রাম

কয়েক শতাব্দী আগে ১৭৬০ সালে মেজর জেমস রেনেল ব্রহ্মপুত্র নদের পরিবর্তিত গতিপথের সঠিক মানচিত্র প্রণয়ন করেন এবং এখানে দেখা যায় সেসময় ব্রহ্মপুত্র মধুপুর গড়ের পূর্ব দিক দিয়ে নিম্নমুখী প্রবাহিত হয়ে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে পরিচিত একটি খালে এসে মিলিত হয়েছিল। ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের মধ্যবর্তী ব্রহ্মপুত্র খালের নিম্নাংশ পরবর্তীকালে ভরাট হয়ে যায়। পুরাতন ব্রহ্মপুত্র এখন শীতলক্ষ্যা নদীতে মিশে ঢাকার দক্ষিণ-পূর্বে ধলেশ্বরী ও মেঘনা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে। নদটির মোট দৈর্ঘ্য ২৭৬ কিমি। বঙ্গীয় অববাহিকার নদীগুলোর মধ্যে সবচাইতে বেশি গতি পরিবর্তন হয় তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র ও নিম্ন গঙ্গার। ব্রহ্মপুত্র নদের মধুপুর গড় ও বরেন্দ্র অঞ্চলের মধ্যকার বর্তমান গতিপথটি ১৭৮৭ সালে সৃষ্টি হয়। মূলত ব্রহ্মপুত্র নদ বাংলাদেশ এ প্রবেশ করেছে কুড়িগ্রাম জেলা দিয়ে। তাই মূল ব্রহ্মপুত্র নদের রুপ দেখতে হলে এ জেলার চিলমারি , রৌমারি বা রাজিবপুর উপজেলায় ভ্রমন করতে হবে। নদের মাঝে মাঝে রয়েছে বিস্তীর্ন চর। চরে অনেক মানুষ ও বসবাস করে। বর্ষায় এই নদ ভয়ংকর রুপ ধারন করে।

Explore this Place Add to Wishlist