কুষ্টিয়ার বিখ্যাত তিলের খাজা

কুষ্টিয়ার বিখ্যাত তিলের খাজা কুষ্টিয়া

কুষ্টিয়ার তিলের খাজার নাম শোনে নি বা খায় নি এমন মানুষ বাংলাদেশে পাওয়া মুশকিল। তিলেরখাজা তৈরী হয় মূলত চিনি জ্বাল করে তার সঙ্গে দুধ মিশিয়ে একটা মন্ডা তৈরী করা হয়, মন্ডা লম্বা করে বিছিয়ে কাটা হয় এবং সব শেষে ওই কাটা অংশে তিলের প্রলেপ লাগিয়ে প্যাক করে বিক্রি করে । কুষ্টিয়া থেকেই এই তিলের খাজা নামক খাবার টি উৎপত্তি ।

Explore this Place Add to Wishlist
কুমারখালীর হস্ত তাত কল

কুমারখালীর হস্ত তাত কল কুষ্টিয়া

কুষ্টিয়া ও কুমারখালীর তাতের কথা সর্বজন বিদিত। ব্রিটিশ আমল থেকেই এই অঞ্চল থেকে সবচেয়ে বেশী পরিমান কাপড় উৎপন্ন হয়। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে এখন প্রায় এখানকার সব তাতকল ইমেশিল চালিত। কিন্ত এর মাঝে এখনো কিছু পরিবার তাদের পূর্ব পূরুষদের ঐতিহ্য বজায় রেখে আগের সেই হস্ত চালিত উপায়ে তৈরী করে যাচ্ছে লুংগী ,গামছা ইত্যাদি। আর এসব নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের চাহিদা ও লোকসংখ্যা বাড়াতে মেশিনের সাহায্য নিচ্ছে কুমারখালীর তাঁতিরা ।কিন্ত তবুও হাতে বানানো এসব গামছা ও লুঙ্গীর আলাদা কদর রয়েছে ।

Explore this Place Add to Wishlist
লালনের মাজার

লালনের মাজার কুষ্টিয়া

কুষ্টিয়ার কুমারখালি উপজেলার ছেঁউড়িয়া গ্রামে কালীগঙ্গা নদীর তীরে বাউল সম্রাট লালন শাহের মাজার। তিনি ১৭৭৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। ১৮৯০ সালের ১৭ অক্টোবর ১১৬ বছর বয়সে এ মরমি ভাবসাধক মৃত্যুবরণ করেন। বাউল সম্রাটকে সমাহিত করা হয় ছেঁউড়িয়ার মাটিতেই। তার মৃত্যুর পর শিষ্যরা এখানেই গড়ে তোলে মাজার বা স্থানীয়দের ভাষায় লালনের আখড়া। বিশাল গম্বুজে তার সমাধি ঘিরে সারি সারি শিষ্যের কবর রয়েছে। এ মাজারটি বাউলদের তীর্থস্থান। প্রতি বছর তার মৃত্যুবার্ষিকীতে সাধু-ভক্তদের পাশাপাশি বাউল সম্রাটের টানে ছুটে আসে লাখো পর্যটকের দল। মাজারের পাশে রয়েছে লালন মিউজিয়াম। মাজার থেকে বের হলেই সামনে পরবে কালীগঙ্গা নদী।

Explore this Place Add to Wishlist
শিয়ালদহ কুঠিবাড়ি ও কাচারী বাড়ি

শিয়ালদহ কুঠিবাড়ি ও কাচারী বাড়ি কুষ্টিয়া

রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিবিজড়িত শিয়ালদহ কুঠিবাড়ি। রবীন্দ্রনাথের দাদা দ্বারকানাথ এই অঞ্চলের জমিদারি পান ১৮০৭ সালে।পরবর্তীতে ১৮৮৯ সালে রবিন্দ্রনাথ এখানের জমিদার হয়ে আসেন।এই কুঠি বাড়ি তার অনেক বিখ্যাত রচনার উৎপত্তিস্থল, এখানে বসেই বিশ্বকবি রচনা করেন সোনার তরী, চিত্রা, চৈতালি, গীতাঞ্জলী কাব্যের অনুবাদও শুরু করেন এখান থেকেই।১৯৫৮ সাল থেকে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ঠাকুরের এই কুঠিবাড়িটি স্মৃতিরূপে সংরক্ষিত করে এবং পরবর্তীতে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর কবির বিভিন্ন শিল্পকর্ম সংগ্রহ করে একে একটি জাদুঘর হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে ।গ্রীষ্মকালে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা এবং শীতকালে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে, মাঝে দুপুর ১টা থেকে ১.৩০ পর্যন্ত আধ ঘণ্টার জন্যে বন্ধ থাকে। কুঠিবাড়ির খুব কাছেই কাচারী বাড়ি অবস্থিত। এখানে বসেই রবীন্দ্রনাথ খাজনা আদায় করেছেন প্রায় ৩০বছর। দুঃখের সাথে বলতে হয় এতো কাছাকাছি দুটি স্থাপনা হওয়া সত্ত্বেও কাচারী বাড়ি সংরক্ষনের কোনউদ্যোগ নেয়া হয়নি।

Explore this Place Add to Wishlist
ওরাওদের নকশা করা মাটির বাড়ি

ওরাওদের নকশা করা মাটির বাড়ি রাজশাহী

বাংলাদেশের নৃ- তাত্বিক গোষ্টীর মাঝে খুব ই ক্ষুদ্র ও অপরিচিত এক গোষ্টীর নাম ‘ওরাও’। সাধারন ভাবে সবাই এদের সাঁওতাল বলে চালিয়ে দেয় ।কিন্ত এরা সাঁওতাল থেকে আলাদা জাতি। বৃহত্তর রাজশাহী তথা বরেন্দ্র অঞ্চলে এদের বাস। যেসব গ্রামে তারা থাকে সেখানের ঘরগুলো সচরাচর তারা মাটি দিয়ে বানায়। এবং বাড়ীর ভেতর ও বাহিরে হাত দিয়েই খুব চমৎকার নকশা করে। নকশায় সাদা রঙ হিসেবে কাজ করে ‘আলা চাল’ বাটা। আর এর মাঝে অন্য কিছু বাজার থেকে কেনা রঙ ও ব্যবহার করা হয়। এটা তাদের প্রাচীন এক বৈশিষ্ট্য ।

Explore this Place Add to Wishlist
কালাইয়ের রুটি

কালাইয়ের রুটি রাজশাহী

‘কালাই রুটি’ রাজশাহী তথা বরেন্দ্র অঞ্চলে খুব পরিচিত একটা খাবারের নাম। মূলত মাসকালাই ডাল আর চালের গুঁড়া দিয়ে এই রুটি বানানো হয়। রাস্তার পাশে ছোট ছোট টং তাইপ দোকানেই এই রুটি বেশী বিক্রি হয়। এই রুটির সাথে খুব ঝাল বেগুন ভর্তা, মরিচ ভর্তা ,আলু ভর্তা দিয়ে পরিবেশন করা হয়। একটা রুটির বর্তমান মূল্য ২০ টাকা। এই রুটির একটা বিশেষত্ব ঠান্ডা হয়ে গেলে এই রুটি প্রচন্ড শক্ত হয়ে যায়।তাই সবাই গরমাগরম এই রুটি খায়।

Explore this Place Add to Wishlist