আব্বাস হোটেল

আব্বাস হোটেল খুলনা

খুলনার চুকনগর বাজারের আব্বাস হোটেল চুইঝালের খাসির গোশতের জন্য বিখ্যাত।৭৫ বছর আগে আব্বাস নামের এক ব্যাক্তি এই খাবার হোটেলের শুরু করেন বলে জানা যায়। বর্তমানে তার নাতি হোটেলের ম্যানেজার। এই হোটেলে একটিই ম্যেনু চুইঝালের খাসির গোশত এবং গরম ভাত। অতি সুস্বাদু এই খাবার নাম বেশ জনপ্রিয়। চুই মূলত একটি গাছের ডাল যা খণ্ড খণ্ড করে কেটে গোশত রান্নার অন্যান্য উপকরনের সাথে মেশানো হয়, এটি ঝাঁজালো এবং একটি বিশেষ সুগন্ধ নিয়ে আসে রান্নায় , যা রান্নাটিকে বিশেষত্ব দেয়।চুকনগের গিয়ে আব্বাসের চুইঝালের খাসির গোশত না খেয়ে আসাটা হয়ে ভোজনরসিকদের জন্য বিশাল বোকামি।বর্তমানে এক পিস মাংসের মূল্য ৯০ টাকা।

Explore this Place Add to Wishlist
মসজিদের শহর বাগেরহাট

মসজিদের শহর বাগেরহাট বাগেরহাট

বাগেরহাট পুরো জেলাই ইউনেস্কোর হেরিটেজ সাইট। যেখানে আছে ১৫ ও ১৬ শতাব্দীর অনেক মসজিদ রয়েছে। এর মাঝে ষাট গম্বুজ মসজিদ, সিঙ্গাইর মসজিদ, উল্লেখযোগ্য। বাগেরহাট জেলার প্রাচীনতম মসজিদ ষাট গম্বুজ মসজিদ, এর স্থাপনা দেখে ধারনা করা হয় এটি খান জাহান আলীই নির্মাণ করেছিলেন, যদিও এই মসজিদের গায়ে কোন শিলালিপি নেই। ১৫ শতাব্দীর তৈরি এই মসজিদ রাজমহল থেকে পাথর এনে, অনেক বছর ধরে অনেক অর্থ খরচ করে নির্মিত হয়েছিল। এক গম্বুজ বিশিষ্ট সিঙ্গাইর মসজিদ বাগেরহাটের সুন্দরঘোনা গ্রামে অবস্থিত, এটিও পঞ্চদশ শতকে নির্মিত মসজিদ, দর্শনীয় এই অসাধারন মসজিদের পশ্চিম দেয়ালে আছে অলঙ্কৃত মেহরাব। এছাড়াও বাগেরহাটে উল্লেখযোগ্য মসজিদসমূহ হলো রেজা খোদা মসজিদ, জিন্দা পীর মসজিদ, ঠান্ডা পীর মসজিদ, বিবি বেগুনি মসজিদ, চুনাখোলা মসজিদ ,নয় গম্বুজ মসজিদ , রণবিজয়পুর মসজিদ, দশ গম্বুজ মসজিদ , ইত্যাদি। বাগেরহাট শহরটিকেই ইউনেস্কো ১৯৮৩ সালে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা প্রদান করেন।

Explore this Place Add to Wishlist
কোদলামঠ

কোদলামঠ বাগেরহাট

এই প্রাচীণ নিদর্শনটি বিভিন্ন লেখায়, পাঠ্যপুস্তকে অযোদ্ধা মঠের সাথে সাথে “ কোদলা মঠ”নামেও পরিচিতি পেয়েছে। এটি অযোদ্ধা গ্রামে অবস্থিত, অযোদ্ধা গ্রামের পার্শ্ববর্তী গ্রামের নাম কোদলা গ্রাম। প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে স্থাপত্যের গঠন দেখে ধারণা করা যায় মঠটি সম্ভবত ১৬ শতাব্দীর শেষ অথবা ১৭ শতাব্দীর প্রথম দিকে নির্মিত।আরও ধারনা করা হয় যে এটি দেব-মন্দির নয়, হয়তো কোন মৃত মহাত্তার সমাধি -স্তম্ভ স্বরূপ মঠটি তৈরি করা হয়েছিল।মঠের দক্ষিন দিকে নিচে দুটি লাইন লেখা আছে,যদিও প্রথন লাইনের কিছু অংশ বোঝা যাচ্ছে না ভেঙ্গে যাওয়ার দরুন, লাইন দুটি হলো, “……………………শর্মনা। উদ্দিশ্য তারকং(ব্রক্ষ্ম) [প্রশা] দোহাং বিনির্মিত: ।।” মঠের তৈরির পেছনে সবচেয়ে প্রচলিত কারন যা জানা যায় তা হলো বারভূইয়ার অন্যতম রাজা প্রতাপাদিত্য নির্দেশে তাঁর গুরু (সভাপন্ডিত) ‘‘অবিলম্ব সরস্বতীর’’ স্মৃতিস্তম্ভ রূপে মঠটি নির্মিত হয়।এই অবিলম্ব সরস্বতী মুখে মুখে দ্রুত বড় বড় কবিতা রচনা করতে পারতেন বলে তার নাম হয় ‘অবিলম্ব সরস্বতী’। তিনি ছিলেন একজন অসাধারণ পণ্ডিত ও সাধক। কোদলা মঠ বা অযোদ্ধা মঠ নামে পরিচিত মঠটি বাগেরহাটে রাজা প্রতাপাদিত্যের অন্যতম স্মৃতি।

Explore this Place Add to Wishlist
নলডাঙ্গা মন্দির

নলডাঙ্গা মন্দির ঝিনাইদহ

১৮৬৫ সালের বেশ কিছুকাল আগে রাজা ইন্দ্র নারায়ন নলডাঙ্গায় অত্যন্ত সুন্দর এ মন্দিরটি নির্মাণ করেছিলেন। এখানে ৭ টি মন্দির এবং একটি অনাথ আশ্রম আছে, সেগুলো হলো দুর্গা মন্দির, শিব মন্দির, গনেশ মন্দির, নাড়ুগোপাল মন্দির ,লক্ষী মন্দির, বীষ্ণু মন্দির, রামেশ্বরী মন্দির, সিদ্ধেশ্বরী মায়ের মন্দির।

Explore this Place Add to Wishlist
গদখালীর ফুলের বাগান

গদখালীর ফুলের বাগান সাতক্ষিরা

যশোরের গদখালীর ঝিকরগাছা উপজেলায় বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ফুলের বাগান। ঝিকরগাছার গদখালীর ফুল চাষীরা প্রায় দেড় হাজার হেক্টর জমিতে ফুলের চাষ করছেন এখানে। এলাকার প্রায় ৫ হাজার কৃষক ফুল চাষের সাথে সরাসরি জড়িত।গদখালী মূলত ফুলের পাইকারি বাজার এখান থেকে সারা দেশে ফুল সবারহ করা হয়। রজনীগন্ধা, গোলাপ, গাঁদা, গ্ল্যাডিওলাস, জারবেরা, জিপসি, ডালিয়া,ক্যালেন্ডোলা ,চন্দ্রমল্লিকাসহ দেশি বিদেশি নানা জাতের ফুল বিভিন্ন উপায়ে চাষ করা হয় এখানে।৭ প্রজাতির গ্ল্যাডিওলাস এখানে হয়।জারবেরা আমরা সুগন্ধহীন হিসেবে জানলেও, চাষীরা জানান সন্ধ্যায় নাকি এই ফুল সুবাস ছড়ায়। বিভিন্ন ঋতু/ উৎসবকে সামনে রেখে এখানকার ফুল চাষীদের বাজার জমে উঠে ক্রেতাদের ভিড়ে।

Explore this Place Add to Wishlist
জামতলার সাদেকের মিষ্টি ভাণ্ডার

জামতলার সাদেকের মিষ্টি ভাণ্ডার সাতক্ষিরা

১৯৫৫ সালে চায়ের দোকানদার মরহুম সাদেক আলী এই মিষ্টির দোকানটি দেন। যা এখন জগতখ্যাত।পরবর্তীতে তার মৃত্যুর পর তার ছেলেরা এর দায়িত্ব নেন এবং আরও তিনটি শাখা খুলেন। মূলত সাদা ও লাল দুইরকমের ছোট/ বড় রসগোল্লা হয়ে থাকে। সাদা রসগোল্লায় মিষ্টির পরিমান কম থাকে।ছোট রসগোল্লা ১০ টা করে এক প্যাকেট, বড় রসগোল্লা ৫ টা করে এক প্যাকেট। ছোট রসগোল্লার প্রতি পিসের দাম ১০ টাকা, বড় রসগোল্লার প্রতি পিসের দাম ২০ টাকা।জামতলায় আরও দুইটি এবং নাভারনে আর একটি দোকান ছাড়া তাদের সারাদেশে আর কোন শাখা নেই।অন্যকোন জায়গায় ঠিক এভাবে পলিথিনে মিষ্টি দেয়া হলেও সেটি আসলে সাদেকের গোল্লা নয়।সাদেক মিষ্টি ভাণ্ডার দেশের যেকোনো জায়গায় হোম ডেলিভারি দিয়ে থাকেন।প্রতিদিনদুপুরের মাঝেই মিষ্টি শেষ হয়ে যায়।

Explore this Place Add to Wishlist