সেন্ট মার্টিন্স

সেন্ট মার্টিন্স কক্সবাজার

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত যে স্থানগুলো ঘুরে বেড়াবার সৌভাগ্য হয়েছে তার মধ্যে সৌন্দর্য বিবেচনায় দেশের সর্ব দক্ষিণে অবস্থিত প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন্সকে তালিকার উপরের দিকে রাখব। দিগন্তরেখায় সমুদ্র ও আকাশের মেলবন্ধন, নীলাভ স্বচ্ছ পানি, প্রবালের ছড়াছড়ি, সারি সারি নারিকেল গাছ, সাগরপাড়ের মানুষদের জীবন সংগ্রামের চিত্র এসব কিছু মিলিয়ে সেন্ট মার্টিন্স মুগ্ধ করার মত এক জায়গা। আর সেন্ট মার্টিন্স সংলগ্ন ছেঁড়াদ্বীপে এসে সৌন্দর্যের ফাঁদে সময় যেন থমকে যেতে চায়! কল্পনার থেকেও বহুগুণে সুন্দর সে অপরুপ নিসর্গ।

Explore this Place Add to Wishlist
টুঙ্গিপাড়া বঙ্গবন্ধুর সমাধি

টুঙ্গিপাড়া বঙ্গবন্ধুর সমাধি গোপালগঞ্জ

গোপালগঞ্জ জেলা সদর থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে টুঙ্গীপাড়ায় অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের সমাধিস্থল। টুঙ্গীপাড়ার বাঘিয়ার নদীর পাড়ে গড়ে উঠেছে এই সমাধি সৌধ। গ্রিক স্থাপত্য শিল্পের আদলে নির্মিত সৌধের লাল সিরামিক ইট আর সাদা-কালো টাইলস দিয়ে কারুকার্য করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর কবরের পাশেই তার বাবা-মায়ের কবর। এই তিন কবরকে ঘিরেই নির্মাণ করা হয়েছে মূল গম্বুজ। সৌধের ওপর দেয়ালে জাফরি কাটা যা দিয়েই সূর্যের আলো এসে উপরে কাচের কারুকাজ দিয়েও আলো পড়ে কবরে। প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে মানুষ আসে বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানাতে। এখানে ঢুকতেই পাথরের গায়ে লেখা রয়েছে দাঁড়াও পথিক বর যথার্থ বাঙালি যদি তুমি হও। ক্ষণিক দাঁড়িয়ে যাও, এই সমাধিস্থলে। এখানে ঘুমিয়ে আছে, বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ নেতা।  এ দেশের মুক্তিদাতা, বাংলার নয়নের মনি।

Explore this Place Add to Wishlist
ভাঙ্গার বিখ্যাত মিষ্টি

ভাঙ্গার বিখ্যাত মিষ্টি ফরিদপুর

ফরিদপুর ভাঙ্গা টাউনে, “ অনিল দাসের মিষ্টির” সুখ্যাতি অনেক। এখানে রাজভোগ ( বড়/ মাঝারি) , রসগোল্লা, ক্ষিরের চমচম, ল্যাংচা, ছানা, চিনির সন্দেশ, দই, জিলাপি, দানাদার, আমিরতি,রসমালাই ইত্যাদি পাওয়া যায়। এখানকার রাজভোগ বেশ নামকরা, আশেপাশের সকল শহর গ্রাম থেকে এটি কিনতে মানুষ এসে থাকে। এই অঞ্চলে প্রচলিত যে , অনিল দাসের মিস্টি ছাড়া বিয়ের অনুষ্ঠান অসম্পূর্ন।মিষ্টি যাদের পছন্দ তারা অবশ্যই এই রাজভোগের স্বাদ পেতে ঘুরে আসতে পারেন “অলিন দাসের মিষ্টির দোকান থেকে।

Explore this Place Add to Wishlist
মাওয়ার ইলিশ

মাওয়ার ইলিশ ঢাকা

মাওয়া ফেরিঘাটের নাম খুব বেশি শোনা যায় এখানকার ইলিশের বদৌলতে। পদ্মার ইলিশের নাম বিশ্বজোড়া। মাওয়া দর্শনের প্রধান আকর্ষণ ইলিশ। ইদানিং এখানে মানুষ শুধুমাত্র ফেরিপারাপারের জন্য নয় মাওয়া ভ্রমন করেন ইলিশ খেতে। ঘাটে নামলেই দেখা যায়, বিভিন্ন খাবার হোটেলে ইলিশের নানা রকম পরিবেশনা। খাদ্য রসিকগণ এখানে অন্যান্য গতানুগতিক খাবারের সাথে পাবেন ইলিশ ভাজা, ইলিশের ডিম ভাজা, ইলিশ ভুনা।আসল ইলিশের আঁশ সোনালী, এবং কানের কাছে লালচে হয়ে থাকে। আরেক ধরনের ইলিশ পাওয়া যায় যাকে বলে ‘চান্দা ইলিশ’ ,দেখতে অনেকটা এক রকম হলেও চান্দা ইলিশ অত সুস্বাদু না।

Explore this Place Add to Wishlist
টাইগার কামাল

টাইগার কামাল খুলনা

কামাল পেশায় একজন জেলে। মাছ ধরে তাকে জীবিকা নির্বাহ করতে হয়। সাড়ে তিন বছর আগে কামাল তার একজন সাথীসহ নৌকা করে মাছ শিকারে যাচ্ছিলেন হঠাৎ করে সে বাঘের শিকারে পরিণত হন, তার ভাষায় প্রায় ৪৫ মিনিটের মত বাঘটি তার বুকে ধাবা দিয়ে বসে ছিল, এরপর তার সাথী বাঘের ছখে কাঁদা ছুড়ে মারলে বাঘটি তাকে ছেড়ে দিয়ে চলে যায়। এই গজতনায় কামালের ডান চোখ, মাথার কিছু অংশ মারাত্মকভাবে আহত হয়, তিনি প্রায় আড়াই মাস হাসপাতালে ছিলেন। এখনো তিনি স্বাভাবিক হতে পারেননি, তবে জীবিকার খাতিরে জেলে পেশাই এখনো তার সম্বল ।বাঘের আক্রমণে মৃত্যুর এতো কাছ থেকে ফিরে আসা কামালকে এখন সবাই টাইগার কামাল হিসেবে চেনে।

Explore this Place Add to Wishlist
তেতুলিয়া খান বাহাদুর কাজী সালামতউল্লাহ শাহী জামে মসজিদ

তেতুলিয়া খান বাহাদুর কাজী সালামতউল্লাহ শাহী জামে মসজিদ সাতক্ষিরা

১৮’শ শতাব্দীর শুরুর (১৮৫৮-৫৯ ) দিকে মোঘল আমলের তৎকালীন জমিদার কাজী সালামতউল্লাহ তেতুলিয়া গ্রামে এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন, এটি মোঘল মনুমেন্টস অব বাংলাদেশ নামক গ্রন্থে প্রকাশিত তথ্য দ্বারা প্রমাণিত ।মসজিদটির উত্তর দিকে একটি দীঘি আছে , মসজিদ থেকে একটি সিঁড়ি দীঘির নিচ পর্যন্ত চলে গেছে। এই মসজিদের সাথে কলকাতায় নির্মিত দুটি মসজিদ যথাক্রমে ১৮৪০-৪১ সালের শাহজানী বেগম মসজিদ ও ১৮৪২ সালের টিপু সুলতান মসজিদের গড়নের সাদৃশ্য পাওয়া যায়।এই মসজিদে ছোট বড় ১৮ টি মিনার আছে।

Explore this Place Add to Wishlist