“নল্লি বিরিয়ানি” না খাইলেই মিস হাজারীবাগের “মারুফ বিরিয়ানি হাউজ”

“নল্লি বিরিয়ানি” না খাইলেই মিস হাজারীবাগের “মারুফ বিরিয়ানি হাউজ” ঢাকা

পুরানঢাকার হাজারীবাগের বিখ্যাত বাবুর্চি মরহুম হাজী নুরু মিয়ার সন্তান মারুফের নল্লি বিরিয়ানি ধরে নেওয়া যায় এই সময়ের ঢাকার অন্যতম সেরা এবং ইউনিক বিরিয়ানি গুলোর মধ্যে একটি। ১০০টাকার হাফ প্লেটের প্রতি নলায় বটি করে দেওয়া গরুর গোসত পরবে পরতে পরতে। আর বিরিয়ানির পোলাও একদম বিরিয়ানি মশলার ঘ্রাণে ও স্বাদে ঝরঝরে। আর সব থেকে উইনিক বিষয় হল এদের বিরিয়ানিতে গরুর নলি দেওয়া হয়, ঠিক যেমনটা আমরা গরুর পায়া খাই। গরম গরম বিরিয়ানিতে নলির গল গলে তেল বের করে আর সাথে একটু সালাদ মেখে মুখে পুরে নিলে আপনি এই সময়ে বসেই হয়তো প্রাণের শহর ঢাকার ৪০০ বছরের ঐতিহ্যের হাতছানি পেয়ে যাবেন চোখ বন্ধ করে। প্রতিদিন এরা প্রায় ৮০ কেজি গরুর গোসত দিয়ে এদের বিরিয়ানি রান্না করা ছাড়াও, ঝাল চাপ করে আর সাথে রোষ্ট, বোরহানিতো পাবেনই। ঢাকার অনেক নামি দামি রেস্তোরায় এই সময়ের যে বিয়ে বাড়ির খানা খাবার হাল তার বেশ ভাল এবং অথেনটিক স্বাদ পাওয়া যায় হাজারীবাগ বাজারের এই “মারুফ বিরিয়ানি হাউজে” এই বিরিয়ানি ঢাকার #MustTryItem

Explore this Place Add to Wishlist
লালবাগের শাহী জুস কর্নারের - পেস্তা মিল্ক শেক না খাইলেই মিস

লালবাগের শাহী জুস কর্নারের - পেস্তা মিল্ক শেক না খাইলেই মিস ঢাকা

পেস্তা বাদামের মিল্ক শেক এর স্বাদ একেবারে জান্নাতি স্বাদের মত না হলেও একেবারে ফেলায় দেয়ার মত না। কনকনে বরফের এর সাথে মিশে যাওয়া পেস্তা দানা আর মিল্ক শেক মিলে যা ঘন হয়েছিল তা পাইপ দিয়ে টানতে গিয়ে প্রায় দম নিতে কষ্ট হওয়ার রসদ জোগানো অবস্থা! প্রায় ২০০৯ সাল থেকে এই জুস কর্নারের মালিক ও কারিগর মোহন মামার তৈরি জুস ঝিগাতলা কাঁচাবাজার থেকে খাওয়া শুরু করলেও এখন উনি স্থান বদলে অনেক বছর হল লালবাগ মসজিদের উলটা পাশে দোকান দিয়েছেন। যার নাম "শাহী জুস কর্নার" দিয়েছেন বেশ কিছুদিন হল। আর বলবো, এর পরিবেশন হয়তো ফাইভ স্টার হোটেল বা অভিজাত ক্যাফ রেস্তোরাঁর মতো না হলেও স্বাদে কিন্তু কনে অংশে কম না, বরং প্রাইসের দিক দিয়ে বড়দের তুলনায় তার জুসের মূল্য অনেক কম। তাই আমি সবসময় বলি আমার প্রাণের পুরান ঢাকার খাবারের স্বাদ আছে যেমন তেমনি খাবারের ইতিহাস খুঁজলে দেখবেন ঢাকার ৪০০ বছরের ঐতিহ্য কোন না কোনভাবে এখানকার খাবারের সাথে মিলে মিশে দৈনিক জিবনের অংশ হয়ে আছে! আর সে জন্যই স্বাদ, ঐতিহ্য আর পুরান ঢাকার পরিবেশ সব মিলিয়ে এইখানকার প্রায় প্রতিটা খাবার না খাইলেই মিস আইটেম কিন্তু |

Explore this Place Add to Wishlist
দিন নাই রাত নাই চাংখারপুলের সোহাগের কালাভুনা চাই! চাই!

দিন নাই রাত নাই চাংখারপুলের সোহাগের কালাভুনা চাই! চাই! ঢাকা

ঢাকার শহরে রাতের বেলা যখন কোথাও কোন খানা দানা আর কিছুই পাবেননা তখন আপনাকে আর কেউ হতাশ করুক চানখারপুলের মিতালি, রাজধানি বা সোহাগ কেউ আপনাকে আশাহত করবেনা। মধ্যরাত হোক, গভীর রাত হোক, সকাল, সন্ধ্যা, বিকাল চানখারপুলে কিছুনা কিছু খাবার পাবেনই। তবের এইসব খাবারের মধ্যে অলটাইম পপুলার হচ্ছে কালাভুনা আর পরোটা। বিশ্ববিদ্যালয় আর মেডিকেল এর স্টুডেন্টরা, স্থানীয় লোকজন ছাড়াও দিক-বিদিক থেকে মানুষ এই চানখারপুলে আসে কালাভুনা খেতে সচরাচর কালাভুনা পরোটা দিয়ে খেলে ডিম পোচ নিলে স্বাদ আরো দ্বিগুণ লাগে। দাদা কালাভুনার উপর ডিম পোচটা যখন ফেটে পরোটায় নিয়ে মুখে পুরবেননা...উউউম্মম্মম্মম্মম্মম্মম্মম্মম্মম্মম্মম্মম ফিলিংস পুরা ^_^ মনে হবে ভালোবাসার বোম ফাটলো এই বুঝি মুখের ভেতরে। কালো গুল মরিচের ঝাঁজ গ্রেনেডের স্প্রিন্টারের মত জিহ্বায় আকরে ধরবে। আর গোশতের সাথে ডিমের কুসুম ভেংগে খাস্তা পরোটা দাঁতের চাপে পড়া মাত্রই চোখ বন্ধ করা স্বাদ পুরাই <3 এই রেস্তোরাগুলো খুব একটা পরিস্কার বা টিপটপ আশা না করাই ভাল। তবে বিপদের বন্ধু হিসাবে আর রাত বিরাতে কালাভুনার ক্যারা মাথায় উঠলে চানখারপুলের মিতালি, রাজধানি, সোহাগ ছাড়া কোন গতি নাই। বলবোনা স্বাদের দিক দিয়ে একদম অথেনটিক কালাভুনার মত খেতে। তবে হ্যা বছরকে বছর ধরে এরা এই মেন্যু রান্না করাতে একধরনের এক্সপার্ট হাতের রান্না যেমন, তেমনি বিশ্ববিদ্যালয় বা মেডিকেল জিবনে রাতের বেলায় খানা খাদ্যের জন্য অন্যতম কয়েকটা তীর্থ স্থানের মধ্যে চানখারপুল একটি। তাই সেই খাতিরে বলবো চানখারপুলের কালাভুনা আর ডিম, পরোটা ঢাকার একটি #MustTryItem

Explore this Place Add to Wishlist
বড় স্টেশন, তিন নদীর মোহনা

বড় স্টেশন, তিন নদীর মোহনা চাঁদপুর

পদ্মা, মেঘনা, ডাকাতিয়া তিন নদীর মিশেল যেখান হয়েছে কেমন হবে সেখানে বসে আড্ডা দিতে পারলে। রোমাঞ্চ অনুভব হচ্ছে নিশ্চয়ই, সাথে এটাও মনে হতে পারে তিন নদীর মোহনায় আবার কিভাবে বসে আড্ডা দিবো? অবিশ্বাস্য মনে হলেও চাঁদপুর জেলার বড় স্টেশনে দেশের বড় তিন নদীর দৃশ্য বসে উপভোগ করার সুযোগ রয়েছে। চাঁদপুর জেলা সদরের অন্যতম পর্যটন স্পট এটি। এছাড়া ট্রলারে করে আশেপাশের বিভিন্ন চর থেকেও ঘুরে আসা সম্ভব।

Explore this Place Add to Wishlist
হাকালুকি হাওড়ঃ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় হাওড়

হাকালুকি হাওড়ঃ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় হাওড় মৌলভীবাজার

হাকালুকি হাওর মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় অবস্তিত বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ হাওর। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে অপূর্ব লীলাভূমি হাওরটি বছরের বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন রূপ ধারণ করে অপরূপ দৃশ্যের। দেশের বৃহত্তম এই হাওর অন্যতম বৃহৎ মিঠা পানিরও জলাভূমি। পূর্বে পাথারিয়া ও মাধব পাহাড় এবং পশ্চিমে ভাটেরা পাহাড় পরিবেষ্টিত হাকালুকি হাওর মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলার পাঁচটি উপজেলায় বিস্তৃত। ছোট-বড় ২৪০ টি বিল ও ছোট-বড় ১০ টি নদী নিয়ে গঠিত হাকালুকি হাওর বর্ষাকালে প্রায় ১৮ হাজার হেক্টর এলাকায় পরিণত হয়। এটি এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম মিঠাপানির জলাভূমি। এর আয়তন ১৮,১১৫ হেক্টর, তন্মধ্যে শুধুমাত্র বিলের আয়তন ৪,৪০০ হেক্টর। এটি মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা (৪০%) কুলাউড়া (৩০%), সিলেট জেলার় ফেঞ্চুগঞ্জ(১৫%), গোলাপগঞ্জ (১০%) এবং বিয়ানীবাজার (৫%) জুড়ে বিস্তৃত। বর্ষা এবং শীত উভয় ঋতুই হাকালুকি হাওর ঘুরে বেড়ানোর জন্য উপযোগী। বর্ষাকালে হাকালুকির বিল ও নদীগুলো একীভূত হয়ে রূপ ধারণ করে সাগরের ন্যায় এক বিশাল জলাশয়ে। এ সময় হাওরের বিলের পার ও কিনারায় বিদ্যমান জলাভূমি, বন-পানির নিচে ডুবে গিয়ে সৃষ্টি করে ডুবন্ত বন এবং ব্যবহৃত হয় মাছের আশ্রয়স্থল হিসেবে। জলের মাঝে মাঝে দুই-একটি দৃশ্যমান বর্ষীয়ান হিজল, তমাল বৃক্ষ। সে এক অপরূপ দৃশ্য। বর্ষাকালে হাওরপারে বসবাসরত মানুষের মাঝে সৃষ্টি হয় এক অন্য রকম উন্মাদনা। যোগাযোগ ব্যবস্থা হয় সহজ। এখানকার স্থানীয় বাজারে যাবার যোগাযোগের বাহন হিসেবে স্থান করে নেয় দেশীয় দাঁড়বাহী পালতুলা ও ইঞ্জিনচালিত নৌকা। জেলেরা মেতে ওঠে মাছ ধরার উৎসবে। বিভিন্ন প্রকার সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান এই সময় অনুষ্ঠিত হয়। হাওরের জীববৈচিত্র্যের চোখে পড়ার মত । পাখি প্রেমিদের জন্য হাকালুকি হাওর ভ্রমণের সেরা সময় নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ার‍্য মাসের মাঝামাঝি। এসময় এখানে প্রচুর সংখ্যায় অতিথি পাখির কলকাকলিতে চারদিক মুখর থাকে। এশিয়ার উত্তরাংশের সাইবেরিয়া থেকে প্রায় ২৫ প্রজাতির হাঁস সহ ৪৮ প্রজাতির প্রায় ১ লাখ পাখি আসে। এসব অতিথি পাখির মধ্যে ভূতি হাঁস, গিরিয়া হাঁস, ল্যাঞ্জা হাঁস, বালি হাঁস, গুটি ঈগল, কুড়া ঈগল, রাজ সরালি, পান ভুলানি, কাস্তেচড়া, পানকৌড়ি.বেগুনী কালিম, মেটেমাথা টিটি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। এছাড়া স্থানীয় প্রায় ১০০ প্রজাতির পাখি সারাবছর এখানে দেখা মেলে। জলজ উদ্ভিদ, মাছপ্রেমীদের জন্য এটা সেরা মৌসুম। হাকালুকি হাওর মাছের জন্য প্রসিদ্ধ। হাকালুকি হাওর বাংলাদেশের সংরক্ষিত জলাভূমি। শীত মৌসুমে বিলগুলিতে প্রায় সারাবছর পানি থাকে। হাওরের জলরাশির মূল প্রবাহ হলো জুরী ও পানাই নদী। এই বিলগুলি মৎস্য সম্পদের আধার। বছরে প্রায় ২৫০০টন মাছ উৎপাদন হয়। তবে যথেচ্ছভাবে মাছ ধরার কারণে দেশী জাতের রানী, তুরাল, রাঁচি, বাতাসি, গলদাচিংড়ি, বাঘমাছ, চিতল ইত্যাদি মাছ আর এখন হাওরে পাওয়া যায় না।

Explore this Place Add to Wishlist
Bisnakandi

Bisnakandi সিলেট

Bichanakandi is a village situated in Rustompur Union under Guainghat Upazilla. Gowainghat is nestled between the Meghalaya hills (INDIA) and the plains of Sylhet. This is where many layers of the Khasi mountain meet at a single point from both sides. There is a high mount groove. The main attraction of this spot for travelers is to plug the flow of water flowing over rocks. Moreover, monsoon vine is stuck in the clouds on the mountain. The mountain may seem cloud lap nesting. A branch of Piyain river from the east side gone through to the bottom of the hill towards Bholaganj. In all a coalition of mountains, rivers, springs, waterfalls, stones and natural beauty of Bisnakandi is a remarkable place. Rainy season is the best time to visit Bisnakandi. Water flowing over the stones gives a unique look. In the rainy season, the site looks spectacular. The dark clouds hug the mountains in the rainy season. Winter is not the suitable time to visit the site. In winter, there will be a lot of stone-laden boats, Lorries, and mechanized mining. Bisnakandi was a stone quarry that is being used for quit some year. Still now it is used as stone quarry. If it continued without any regulation the beauty of Bisnakndi will be in threat.

Explore this Place Add to Wishlist