নিজাম হাসিনা জামে মসজিদ

নিজাম হাসিনা জামে মসজিদ ভোলা

ভোলায় নির্মিত হয়েছে দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহৎ অত্যাধুনিক নিজাম-হাসিনা ফাউন্ডেশন মসজিদ। শহরের উকিল পাড়ায় প্রায় দেড় একর জমির ওপর নিজাম-হাসিনা ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহযোগিতায় মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। নানা রঙয়ের মার্বেল পাথরসহ বিভিন্ন পাথরে কারুকাজ দ্বারা নির্মিত দুইতলা বিশিষ্ট এই মসজিদে রয়েছে পুরুষ ও নারীদের জন্য আলাদা অজুখানা এবং নামাজের ব্যবস্থা। মসজিদে ১২০ ফুট উচ্চতার মিনার ও প্রায় ৬০ ফুট উচ্চতার গম্ভুজ রয়েছে। থাকবে সমৃদ্ধ লাইব্রেরি ও হেফজখানা। মসজিদটির কারুকাজে আরবি ক্যালিওগ্রাফি ও আল্লাহ লেখা ডিজাইনের ফোয়ারাসহ আধুনিক নানা স্থাপনা ব্যবহার করা হয়েছে। এ ছাড়াও মসজিদের চারপাশে ফুল বাগান তৈরি করা হয়েছে। মসজিদে একসঙ্গে ২ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। চোখজুড়ানো বাহারি কারুকাজ আর সৌর্ন্দয্যমন্ডিত মসজিদটি দেখতে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ভীড় জমান।

Explore this Place Add to Wishlist
মঙ্গলশিকদার

মঙ্গলশিকদার ভোলা

ভোলা সদর থেকে প্রায় ৪৫ কি.মি দক্ষিনে লালমোহন উপজেলা। তার ১০ কি.মি পূর্বে মেঘনার তীরঘেষে এই মঙ্গলসিকদারের অবস্থান। এখানকার নদীতীরের জেলেদের দু:সাহসিক জীবনযাত্রা, নৈসর্গিক প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, তীব্র বাতাস আর ভয়ংকর সুন্দর মেঘনার প্রবল ঢেঊয়ের গর্জন আপনার মনে দাগ কাটবে। এর ঠিক পূর্ব প্বার্শেই মনপুরা দ্বীপের অবস্থান। স্থানীয়ভাবে একে কুয়াকাটা/কক্সবাজার কিংবা টেকনাফ সমুদ্রসৈকতের সাথে তুলনা করা হয়। এই জায়গাটি বঙ্গোপসাগর ঘেঁষা মেঘনা নদীর মোহনা। মঙ্গল শিকদার ঘাটে থাকে শত শত মাছ ধরা নৌকা। দেখতে পাবেন কেউ মাছ ধরে ফিরছে কেউবা রওনা দিচ্ছে। নদীর তীরে বসে বাতাস খেতে ভালোই লাগবে। এই ঘাটের ওই পাড়ে লক্ষ্মীপুর জেলা। পর্যটনের এক অগাধ সম্ভাবনাময় স্থান ভোলার এই মঙ্গলসিকদার-লালমোহন।

Explore this Place Add to Wishlist
জ্যাকব টাওয়ার

জ্যাকব টাওয়ার ভোলা

উপমহাদেশের উচ্চতম ওয়াচ টাওয়ার এটি। ভোলা জেলার চরফ্যাসন উপজেলার মূল শহরে এর অবস্থান। স্থানীয় সংসদ সদস্য, বন ও পরিবেশ উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকবের নামানুসারে টাওয়ারটির নামকরণ করা হয়েছে। ২২৫ ফুট উঁচু এই টাওয়ারটি ১৮ তলা বিল্ডিংয়ের সমান। ৮ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় ওই টাওয়ারের চূড়ায় ওঠার জন্য সিঁড়ির পাশাপাশি থাকবে ১৬ জন ধারণক্ষমতার অত্যাধুনিক ক্যাপসুল লিফট। টাওয়ারটি থেকে বঙ্গোপসাগরসহ চরফ্যাসন শহরের চারপাশের ২০ কিমি এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। মূল টাওয়ারটির পাশে রয়েছে মনোরম একটি কৃত্রিম পুকুর, শিশু পার্ক ও বিনোদন উদ্যান। দেশের ২য় বৃহত্তম এই ওয়াচ টাওয়ার থেকে উপভোগ করা যাবে চর কুকরি-মুকরি, তারুয়া সমুদ্র সৈকত, ম্যানগ্রোভ বনের কিছু অংশ এবং আসে পাশের অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। ১৮ তলা উচ্চতা বিশিষ্ট (২১৫ ফুট) টাওয়ার টিতে লিফট আছে, উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন বাইনোকুলার আছে যা দিয়ে ১০০ বর্গ কিমি এলাকা দেখা যাবে। ওয়াচ টাওয়ারে দাঁড়ালেই পশ্চিমে তেঁতুলিয়া নদীর শান্ত জলধারা, পূর্বে মেঘনা নদীর উথাল-পাতাল ঢেউ, দক্ষিণে চর কুকরি-মুকরিসহ বঙ্গোপসাগরের বিরাট অংশ নজরে আসবে। প্রবেশ শুভেচ্ছা মুল্যঃ১০০ টাকা। বিঃদ্রঃ বুধবার বন্ধ থাকবে।

Explore this Place Add to Wishlist
চরফ্যাশন

চরফ্যাশন ভোলা

এই উপজেলার উত্তরে লালমোহন উপজেলা, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, পূর্বে মেঘনা ও শাহবাজপুর চ্যানেল মনপুরা উপজেলা, পশ্চিমে তেতুলিয়া নদী এবং দশমিনা উপজেলা ও গলাচিপা উপজেলা। এটি ভোলা জেলার সবচেয়ে বড় উপজেলা। এখানে রয়েছে অসংখ্য দ্বীপ; এর মধ্যে চর কুকরী-মুকরী, ঢালচর, চরনিজাম, চরপাতিলা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিনের দ্বীপ জেলা ভোলার চরফ্যাশন এর দর্শনীয় স্থানসমূহের মধ্যে রয়েছে চর কুকরিমুকরি, সোনারচর, ঢালচর, তারুয়া দ্বীপ, তারুয়া বীচ, জ্যাকব টাওয়ার। সরকারি ও বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় এটি হতে পারে বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম পর্যটন কেন্দ্র। চরফ্যাশন গেলে আপনি কুয়াকাটা, সুন্দরবন ঘুরার স্বাদ উপভোগ করতে পারবেন। ঘুরার জন্য চরফ্যাশন একটি সুন্দর ও নিরিবিলি যায়গা। স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এই এলাকাকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাচ্ছেন তাই এই এলাকা পর্যটকদের জন্য একবারেই নিরাপদ। যে কোন ব্যপারে তিনি অনেক সহায়তা করেন। ঘুরে আসুন অনেক ভাল লাগবে। বিশেষ করে যারা ন্যাচারাল অনেক বেশী পছন্দ করেন তাদের আরও বেশী ভাল লাগবে।

Explore this Place Add to Wishlist
বাদশাহ মিয়ার চর

বাদশাহ মিয়ার চর ভোলা

লালমোহনের মেঘনার মধ্যের এই চর বাদশা বা স্থানীয় ভাষার বাসন ভাঙ্গা চর। জায়গাটি বাদশার চর হিসেবে পরিচিত বা মিনি সুন্দরবন। এটি ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলায় অবস্থিত মঙ্গলশিকদার ঘাট থেকে ছোট ছোট ট্রলারে করে যাওয়া যায় ভাড়া ১৫০০-২০০০ চার থেকে পাচ ঘন্টার জন্য। সেই সাথে পাবেন বোট চালকদের অমায়িক ব্যাবহার ও আন্তরিকতা।লালমোহনে গেলে অবশ্যই এই জায়গায় ঘুরে আসতে ভুলবেন না।

Explore this Place Add to Wishlist
সুজাবাদ কেল্লা

সুজাবাদ কেল্লা ঝালকাঠি

ঝালকাঠি শহরের পাশ দিয়ে বয়ে চলা সুগন্ধা নদীর পাড়ে এর অবস্থান। মোঘল রাজপুত্র এবং বাংলার সুবেদার শাহ সুজা তার ভাই আওরাংগজেব এর রোশানল থেকে রক্ষা পেতে এখানে এই কেল্লা নির্মাণ করেন ও আত্মগোপন করেন। মোগল সাম্রাজ্যের শেষদিকে বাংলার এই অঞ্চল মগ ও পর্তুগিজ জলদস্যুদের অবাধ লুণ্ঠন ক্ষেত্রে পরিণত হয়। শুধু তাই নয় এই জলদস্যুরা এক পর্যায়ে এই অঞ্চলের বসবাস করা নিরীহ মানুষ বিক্রি করার ভয়াবহ বাণিজ্যে লিপ্ত হয়ে পড়ে। দক্ষিণাঞ্চলের ত্রাস দুর্দমনীয় এই বাহিনীকে শায়েস্তা করার উদ্দেশ্যে তত্কালীন বাংলার সুবেদার মোঘল সম্রাট সম্রাট শাজাহানের পুত্র শাহজাদা সুজা ষোলশ চুয়ান্ন সালে সুজাবাদ গ্রামের পত্তন করেন এবং জলদস্যুদের দমন এবং তাদের আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য সুজাবাদ গ্রামে দু‘টি কেল্লা তৈরি করা হয়। কেল্লাদ্বয়ের একটি মাটি এবং অন্যটি ইট দ্বারা তৈরি করা। কেল্লাটি এখন ধ্বংসপ্রায়। সংরক্ষনের ব্যবস্থা নেই।

Explore this Place Add to Wishlist