করতলব খান মসজিদ/ বেগম বাজার মসজিদ

করতলব খান মসজিদ/ বেগম বাজার মসজিদ ঢাকা

১৭০০-১৭০৪ সালে মসজিদটি নির্মাণ করেন মুর্শিদকুলি খাঁ। মসজিদটি তার নামে প্রথমে মুর্শিদকুলি খাঁ নাম হয়। পরে সম্রাট আওরঙ্গজেব তরুণ মুর্শিদকুলী খাঁকে ১৭০০ সালে সম্মানসূচক করতলব খাঁ উপাধি দিয়ে দেওয়ান হিসেবে বাংলায় পাঠান। এরপর এই মসজিদের নাম হয়ে যায় করতলব খান মসজিদ। স্থানীয়রা মসজিদটিকে বেগমবাজার মসজিদ নামে চেনে। সময়ের পরিক্রমায় ১৭৩৯-৪০ সালে ঢাকার নায়েবে নাজিম সরফরাজ খাঁর কন্যা লাভলি বেগমের নাম থেকে মাছপ্রধান এই এলাকার বড় বাজারের নাম হয় বেগম বাজার। এই বাজারটি মূলত স্থাপন করা হয়েছিল পাঁচ গম্বুজ মসজিদটির ব্যয় নির্বাহ করার জন্য। সময়ের কালস্রোতে, লোকজনের সহজ পরিচিতির জন্য এক সময় বেগম বাজারের নাম জুড়ে দিয়ে মসজিদটির নাম হয়ে যায় বেগম বাজার মসজিদ। যা এখনও চলছে। ধারণা করা হয়, এক সময় বুড়িগঙ্গা নদীর অববাহিকা এই মসজিদের কোল ঘেষে প্রবাহিত হত । পরে নদীর গতি পথ পরিবর্তিত হয়ে প্রায় দেড় কি.মি. দূরে চলে যায়।

Explore this Place Add to Wishlist
আন্ডার চরে ক্যাম্পিং

আন্ডার চরে ক্যাম্পিং পটুয়াখালী

সোনার চরের কাছেই বঙ্গোপসাগরে জেঁগে ওঠা এক নির্জন দ্বীপ আন্ডার চর। পুটুয়াখালীর জেলা সদর থেকে ৮০-৯০ কি. মি. দক্ষিনে রাঙ্গাবালী থানার অন্তর্গত চর মোন্তাজ ইউনিয়নের একটি ছোট্ট দ্বীপ। আন্ডার চর দক্ষিন বাজারের পরে ছোট্ট একটি সামুদ্রিক চ্যানেল পাড়ি দিলেই মায়াবী সোনার চর। এখানেই সমুদ্রের পারে সবুজ মাঠে করতে পারেন ক্যাম্পিং, সাথে দেখে নিতে পারেন অপরূপ সোনার ব্যাক প্যাক ট্রাভেলারদের জন্য ক্যাম্পিং এর আদর্শ যায়গা।

Explore this Place Add to Wishlist
পানি জাদুঘর

পানি জাদুঘর পটুয়াখালী

নদ-নদী ও পানিসম্পদ রক্ষায় নীতিনির্ধারকদের আরও উদ্যোগী করে তোলা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় উদ্বোধন করা হয়েছে দেশের প্রথম পানি জাদুঘর। কলাপাড়া-কুয়াকাটা সড়কের পাখিমারা বাজারসংলগ্ন এলাকার এক দ্বিতল ভবনে এই জাদুঘর। পানি জাদুঘরে এ দেশের নদ-নদীগুলোর নাম-পরিচয়, হারিয়ে যাওয়া নদী ও বর্তমান নদীর ছবি, নদীর ভবিষ্যৎ সম্পর্কিত তথ্য জানা যাবে। এখানে রাখা হয়েছে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, বুড়িগঙ্গা, আন্ধারমানিকসহ ১০টি নদীর পানির নমুনা। পানি জাদুঘরের সামনেই আছে একটি নৌকা। এটি অর্ধেক বালুতে ডোবানো। নদী মরে যাওয়ার গল্পের প্রতীক এটি। এখন নদীপাড়ের মানুষের জীবনও শুকিয়ে যাচ্ছে। বালুতে আটকে যাওয়া এ নৌকার মাধ্যমে তা তুলে ধরা হয়েছে। নৌকার বুকে বিঁধে আছে দুটি গজাল, যা নদীমাতৃক এই দেশকে মেরে ফেলার চেষ্টার প্রতীক। জাদুঘরটি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকে। জাদুঘর পরিদর্শন বাবদ শিক্ষার্থীদের জনপ্রতি ১০ টাকা। স্থানীয় জেলার এবং বাংলাদেশি জনগণ জনপ্রতি ২০ টাকা। বিদেশি পর্যটকদের জনপ্রতি ১০০ টাকা।

Explore this Place Add to Wishlist
টেংরাগিরি বন বা ফাতরার বন

টেংরাগিরি বন বা ফাতরার বন বরগুনা

এটা মূলত সুন্দরবনের একাংশ, বিভিন্ন প্রানি, পশু-পাখি দেখতে পাবেন;ম্যানগ্রোভ বনটি আসলেই সুন্দর অনেক টা ভার্জিন বলতে পারেন। সুন্দরবনের পর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্বাসমূলীয় এই বন। বরগুনার তালতলী উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের টেংরাগিরি মেীজায় টেংরাগিরি বনই ফাতরার বন নামে পরিচিত। ফাতরার বনের দক্ষিন কোল ঘেষে যে সমুদ্র সৈকত তার নাম সোনাকাটা সৈকত। এই বন পূর্ব-পশ্মিমে ৯ কি:মি: এবং উওর দক্ষিনে ৪ কি: মি: এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। এখানে বিভিন্ন প্রকারের সাপ, হরিণ, পাখি, ও প্রকৃতিক জীববৈচিত্র্র্র্ ইকো পার্ককে আকর্ষনীয় করে তুলেছে। বনের ভিতরের ইট বিছানো পথ ধরে হাটতে হাটতে দূর সাগরের মাছ ধরা ট্রলারের শব্দ কানে পৌছতে না পৌছতেই ,এক সময় বনের গাছ পালার মাঝ দিয়ে দেখা যাবে ধু ধু সাগরের জলরাশি ও দুই কিলোমিটার দীর্ঘ নিরিবিলি একটা বীচ।

Explore this Place Add to Wishlist
সোনারচর

সোনারচর পটুয়াখালী

আমরা সবাই জানি বাংলাদেশের একমাত্র ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সুন্দরবন। কিন্তু পটুয়াখালী জেলায় চর মন্তাজ নামক দ্বীপ এর পরেই সোনারচর নামক বিশাল ম্যানগ্রোভ বন। এটা ম্যানগ্রোভ গাছ,হরিন,চিতা বাঘ, বুনো মহিষ,অজগর, শিয়াল,বুনো মুরগি ও বিভিন্ন প্রজাতির পাখির এক বিশাল অভ্যয়ারন্য।এটার অবস্থান বাংলাদেশ এর একেবারে শেষ প্রান্তে। এই সমুদ্র সৈকতে একই সাথে পাবেন ঝাউবন,কাশবন ও ম্যানগ্রোভ।প্রায় সাত কি:মি: দীর্ঘ বালুকাবেলায় রয়েছে অগনিত লাল কাকড়ার বসবাস।সম্পূর্ন জন বিচ্ছিন্ন এই রাজ্যে হিংস্র জন্তুরাই রাজা।বনে অাছে হরিণ, শিয়াল,বনমোষ,মেছো বাঘ,অজগর সহ নানা প্রজাতির সাপ।শীতকালে থাকে অতিথী পাখির কলকাকলি। সূর্যাস্তের সময় সমগ্র বিচ সোনালি রঙ ধারন করে তাই এর নাম রাখা হয়েছে সোনার চর। কুয়াকাটার মত এখানেও সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত একই জায়গায় দাড়িয়ে দেখতে পারবেন। সোনার চর বনবিভাগ ঘোষিত অভয়অরন্য। সৈকতে ইলিশের মৌসুমে কিছু জেলে নৌকা ছাড়া মানুষ থাকেনা।এখানে নিরাপত্তার কারনে রাতে থাকা যায় না।সমগ্র সৈকত ভাল ভাবে ঘুরতে স্থানীয়দের সাহায্য নিতে হবে।সূর্যাস্ত মিস করবেন না।

Explore this Place Add to Wishlist
মনপুরা দ্বীপ

মনপুরা দ্বীপ ভোলা

মনপুরা বাংলাদেশের ভোলা জেলার একটি বিছিন্ন দ্বীপ। দ্বীপের তিন দিকে মেঘনা নদী আর দক্ষিণে বঙ্গপোসাগর। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরুপ সাজে সজ্জিত এক লীলাভূমিও বটে। এখানে না গেলে বুঝতেই পারবেন না প্রকৃতির কি সৌন্দর্য অপেক্ষা করছে আপনার জন্য। এই দ্বীপে বসেই আপনি দেখতে পারবেন সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত। আরো আছে মনপুরা ল্যান্ডিং স্টেশন, হরিণের অভয়াশ্রম ও চৌধুরী প্রজেক্ট। এ দ্বীপের প্রধান যানবাহন হচ্ছে মোটরসাইকেল। মনপুরা ল্যান্ডিং স্টেশনটি নদীর ৫০০ মিটার ভেতরে তৈরি করা। বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত শুধু পর্যটকরা না, স্থানীরাও সময় কাটাতে আসে এখানে। দ্বীপে রয়েছে একটি হরিণের অভায়াশ্রম। জোয়ারের সময় হরিণগুলো প্রধান সড়কের কাছে চলে আসে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, হরিণের পাল যখন রাস্তা পার হয় তখন তিন থেকে পাঁচ মিনিট পর্যন্ত মোটরসাইকেল দাঁড় করিয়ে রেখে অপেক্ষা করতে হয়। দ্বীপে আরো আছে, চৌধুরী প্রজেক্ট। প্রজেক্টটি হচ্ছে একটি মাছের ঘের। এখানে আপনি দেখতে পাবেন বিশাল এলাকাজুড়ে বিস্তৃত মাছ চাষের পুকুর ও লেক। লেকের পাড় জুড়ে সারি সারি লাইনে হাজারো নারিকেল গাছ। পাড়ের একপাশে লেক অন্য পাশে মেঘনা। বিকালের সময়টা খুবই চমৎকার কাটবে আপনার এখানে। যদিও ঘূর্ণিঝড় কোমেনের আঘাতে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে প্রজেক্টটি। তবুও সৌন্দর্য হারায়নি চৌধুরী প্রজেক্ট। সাইক্লিং এবং ক্যাম্পিং করার জন্য এই দ্বীপ একটি ভালো অপশন। কখনো সবুজের রাজ্য আবার কখনো উত্তাল মেঘনা নদী রাস্তার পাশে রেখে মনপুরা দ্বীপে সাইক্লিং করার ব্যাপারটা মনের জন্য বেশ আনন্দদায়ক। শীতকাল মনপুরা ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে উপযোগী সময়।

Explore this Place Add to Wishlist