সাত গম্বুজ মসজিদ ঢাকা

1 people checked in

খ্রিস্টীয় ষোল শতকে প্রতিষ্ঠিত হয় সাত গম্বুজ মসজিদটি। মোগল শাসনামলে বাংলাদেশে যে স্থাপত্য রীতির প্রচলন শুরু হয় তারই ধারাবাহিকতায় এ মসজিদটি একটি চমৎকার উদাহরণ। ধারণা করা যায়, ১৬৮০ খ্রিস্টাব্দে নবাব শায়েস্তা খাঁ মসজিদটি নির্মাণ করেন। অন্য এক তথ্যে জানা যায়, নবাব শায়েস্তা খাঁর জ্যেষ্ঠপুত্র বুজুর্গ উদ্দিন (উমিদ) খাঁ এই মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা। বর্তমানে, মসজিদটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তত্বাবধানে আছে। এ মসজিদের ছাদের কেন্দ্রে একটি বড় আর তার দুপাশে দুটি একটু ছোট এবং চার কোণায় আরো ছোট চারটি সহ মোট সাতটি গম্বুজ আছে। এ থেকেই মসজিদটির নামকরণ হয়েছে সাত গম্বুজ মসজিদ। এর আয়তকার নামাজ কোঠার বাইরের দিকের পরিমাপ ১৭.৬৮ মিঃ*৮.২৩ মিঃ। পূর্ব দিকের দেয়ালে ভাঁজ বিশিষ্ট তিনটি খিলান মসজিদটিকে বেশ আকর্ষনীয় করে তুলেছে। পশ্চিম দেয়ালে রয়েছে তিনটি মিহরাব এবং বাইরের দিকে পুরো দেয়াল জুড়ে রয়েছে কুলঙ্গি সম্বলিত অলঙ্করণ। মসজিদের ভিতরে ৪টি কাতারে প্রায় ৯০ জনের নামাজ পড়ার মত স্থান রয়েছে। মসজিদের পূর্বপাশে এরই অবিচ্ছেদ্য অংশে হয়ে রয়েছে একটি সমাধি। কথিত আছে, এটি শায়েস্তা খাঁর মেয়ের সমাধি। সমাধিটি ‘বিবির মাজার’ বলেও খ্যাত। এ কবর কোঠাটি ভেতর থেকে অষ্টকোনাকৃতি এবং বাইরের দিকে চতুষ্কোনাকৃতির। বেশ কিছুদিন আগে সমাধিক্ষেত্রটি পরিত্যক্ত এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত ছিল। বর্তমানে এটি সংস্কার করা হয়েছে। মসজিদের সামনে একটি বড় উদ্যানও রয়েছে। একসময় মসজিদের পাশ দিয়ে বয়ে যেত বুড়িগঙ্গা। মসজিদের ঘাটেই ভেড়ানো হতো লঞ্চ ও নৌকা। কিন্তু বর্তমান অবস্থায় তা কল্পনা করাও কষ্টকর। বড় দালানকোঠায় ভরে উঠেছে মসজিদের চারপাশ। সীমানা প্রাচির সহ জমি, মসজিদ, সমাধি সৌধ প্রত্নতত্ব অধিদপ্তর কর্তৃক ঘোষিত একটি সংরক্ষিত পুরাকির্তি।

  • How to go কিভাবে যাবেন দেশের সব স্থান থেকেই ঢাকা আসার জন্য বাস সার্ভিস রয়েছে। এছাড়াও ট্রেনে করে কিংবা কিছু কিছু জায়গা থেকে লঞ্চে অথবা বিমানে করেও আসা সম্ভব। ঢাকার যেকোনো প্রান্ত থেকে মোহাম্মাদপুরের সাত মসজিদ রোডে এসে সাত গম্বুজ মসজিদের কথা আশেপাশে জিজ্ঞেশ করলেই হবে।
  • Lodging কোথায় থাকবেন ঢাকার প্রতিটি এলাকায় আবাসিক হোটেলের অভাব নাই। তবে হোটেল ভাড়া অন্যান্য জেলা থেকে তুলনামূলক বেশি। ৫ তারকা হোটেলগুলোর মধ্যে রয়েছে প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁ, হোটেল রুপসী বাংলা, হোটেল লা মেরিডিয়েন, র‍্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন ইত্যাদি। কম দামের মধ্যে থাকতে গেলে বংগবন্ধু এভিনিউ এর হোটেল রমনা, ফকিরাপুলের হোটেল হাসান ইন্টারন্যাশনাল অন্যতম। পল্টন, ফকিরাপুল, গুলিস্তান,পুরান ঢাকা এরিয়ায় অনেক সস্তা মধ্যম মানের হোটেল পাবেন।
  • Foods কি খাবেন পুরান ঢাকার কিছু বিখ্যাত খাবারের তালিকা : ১. লালবাগ শাহী মসজিদের সাথে মোহন মিয়ার জুস ২. হোটেল রয়েলের পেস্ত বাদামের সরবত ৩. বেচারাম দেউড়ি রোডে নান্নার মোরগ পোলাও। ৪. কাজি আলাউদ্দিন রোডের হাজির বিরিয়ানি ও হানিফের তেহরি। হাই স্কুল এর পাশেই) মালাই চপ ও কাশ্মিরী হালুয়া অবশ্যই খেয়ে অাসবেন।
  • Must see অব্যশ্যই দেখবেন N/A

Reviews

(Rate here)

Articles

Find on the Map