শ্রী শ্রী বংশী বদন ঠাকুর জমিদারবাড়ি (গোপালদি জমিদার বাড়ি) ঢাকা

people checked in

আড়াই হাজারের গোপালদির সদাসদি গ্রামে ১৯০৯ সালে তৈরী বংশী বদনের জমিদার বাড়ি। বিশাল এ কমপ্লেক্স ছেড়ে ওনারা ৬০ এর দশকে ভারত চলে যান। এ বাড়ীর ভিত্তি স্থাপন করেন শ্রী শ্রী বংশী বদন ঠাকুর বাংলা ১৩২৩ সনে। তার মানে এটি ১০০বছরেরও বেশি পুরনো। বাড়ির কারুকার্য অনেক সুন্দর। বাড়ির একপাশে ছোট করে জমিদারের চাকর-বাবুর্চির ঘর, শৌচাগার রয়েছে। শোনা যায় পরিবার সহ ভারত চলে গিয়েছিলেন। এখন পরিবারের দূর সম্পর্কের আত্মীয়রা, হিন্দু পণ্ডিত-পুরোহিতরা এখন এই বাড়িটিতে থাকে। স্থানীয়রা এটাকে ভূঁইয়া বাড়ী নামে চিনে। দিনের বেলাতেও বাড়িটির ভিতর বেশ অন্ধকার। কেমন গা ছম ছমে একটি ব্যাপার আছে। আদিস্থাপনা প্রেমী হয়ে থাকলে জায়গাটিকে অন্যরকম ভাল লেগে যাবেই।

  • How to go কিভাবে যাবেন রুট ১ঃ কলাবাগান-শাহবাগ এবং আরও কিছু স্টপেজ থেকে মেঘলা পরিবহন বাস ছাড়ে। এসে নামবেন ভুলতা/গাউসিয়া। কলাবাগান থেকে ভাড়া ৫৫ টাকা। গাউসিয়া নেমে একটু সামনে এসে লোকাল সি এন জি তে উঠে আড়াইহাজার বাজার আসতে হবে। ভাড়া ৩০টাকা। আড়াইহাজার বাজার থেকে লোকাল সি এন জি তে সোজা গোপালদী পৌরসভার সদাসদী রোডের জমিদার বাড়ি। ভাড়া ১৫ টাকা। স্থানীয়রা এই জমিদারবাড়িকে "ভূঁইয়া বাড়ী" নামে চিনে। রুট ২: কুরিল ফ্লাইওভার এর ৩০০ ফিট ক্রসিং থেকে লোকাল ট্যাক্সি তে গাউসিয়া। ভাড়া ৮০ টাকা। গাউসিয়া নেমে একটু সামনে এসে লোকাল সি এন জি তে উঠে আড়াইহাজার বাজার আসতে হবে। ভাড়া ৩০টাকা। আড়াইহাজার বাজার থেকে লোকাল সি এন জি তে সোজা গোপালদী পৌরসভার সদাসদী রোডের জমিদার বাড়ি। ভাড়া ১৫ টাকা। স্থানীয়রা এই জমিদারবাড়িকে "ভূঁইয়া বাড়ী" নামে চিনে।
  • Lodging কোথায় থাকবেন নবনির্মিত একটি ডাক বাংলো আছে এ ছাড়া থাকার জন্য কোন হোটেল/বোডিং/গেস্ট হাউজ নাই। ডাক বাংলোটি সদর উপজেলায় প্রবেশ মুখেই অবস্থিত।
  • Foods কি খাবেন মুড়ি, গুড়, চিড়া দিয়ে পাকানো অনেকটা মোয়ার মত বিশেষ এই খাবার কে এই অঞ্চলের লোকজন ভুজনা বলে থাকে। খেয়ে দেখতে পারেন খুব স্বাদ। তবে এই ধরনের খাবার বাজারে কিনতে পাওয়া যায়না স্থানীয়দের বাড়ীতে পাবেন। সে ক্ষেত্রে চর অঞ্চল ভ্রমণে এই খাবারের স্বাদ নিতে পারবেন।
  • Must see অব্যশ্যই দেখবেন N/A

Reviews

(Rate here)

Articles

Find on the Map