মঙ্গলশিকদার ভোলা

people checked in

ভোলা সদর থেকে প্রায় ৪৫ কি.মি দক্ষিনে লালমোহন উপজেলা। তার ১০ কি.মি পূর্বে মেঘনার তীরঘেষে এই মঙ্গলসিকদারের অবস্থান। এখানকার নদীতীরের জেলেদের দু:সাহসিক জীবনযাত্রা, নৈসর্গিক প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, তীব্র বাতাস আর ভয়ংকর সুন্দর মেঘনার প্রবল ঢেঊয়ের গর্জন আপনার মনে দাগ কাটবে। এর ঠিক পূর্ব প্বার্শেই মনপুরা দ্বীপের অবস্থান। স্থানীয়ভাবে একে কুয়াকাটা/কক্সবাজার কিংবা টেকনাফ সমুদ্রসৈকতের সাথে তুলনা করা হয়। এই জায়গাটি বঙ্গোপসাগর ঘেঁষা মেঘনা নদীর মোহনা। মঙ্গল শিকদার ঘাটে থাকে শত শত মাছ ধরা নৌকা। দেখতে পাবেন কেউ মাছ ধরে ফিরছে কেউবা রওনা দিচ্ছে। নদীর তীরে বসে বাতাস খেতে ভালোই লাগবে। এই ঘাটের ওই পাড়ে লক্ষ্মীপুর জেলা। পর্যটনের এক অগাধ সম্ভাবনাময় স্থান ভোলার এই মঙ্গলসিকদার-লালমোহন।

  • How to go কিভাবে যাবেন ঢাকা সদরঘাট থেকে লালমোহনের উদ্দেশ্যে প্রতিদিন সন্ধা ৬:০০ মিনিটে এম.ভি কর্নফুলী-৩, নিউ সাব্বির-৩, গ্লোরী অব শ্রীনগর-৩ নামক লঞ্চগুলো ছেড়ে যায়। ভাড়া সিঙ্গেল কেবিন-৮০০ টাকা, ডাবল কেবিন -১৬০০ টাকা, ভি/আই/পি কেবিন -৪০০০ টাকা এবং ডেক-২৫০ টাকা। পরের দিন ভোর ৬ টার মধ্যেই লালমোহন লঞ্চঘাটে পৌছাতে পারবেন। লঞ্চঘাট থেকে রিক্সা/অটোতে লালমোহন বাজারে পৌছাতে হবে। লালমোহন বাজার থেকে টেম্পু/হোন্ডা/অটোতে মঙ্গলসিকদার পৌছাতে ৩০/৫০ টাকা খরচ হবে, তবে দামাদামি করে নেয়া ভালো। লঞ্চ ছাড়েঃ সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিটে, পৌছাবেন পরদিন ভোর ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে। লঞ্চ ভাড়াঃ কেবিন সিঙ্গেল- ৮০০ ডাবল- ১৬০০ ও ডেক- ২৫০ টাকা অথবা সরাসরি বেতুয়াগামী লঞ্চে উঠলে সকালে আপনাকে মঙ্গলশিকদার ঘাটে নামিয়ে দিবে।
  • Lodging কোথায় থাকবেন এর কাছাকাছি থাকার কোন জায়গা নেই। থাকতে হবে লালমোহনে। রাতে থাকার জন্য লালমোহনে মোটামুটি মানের হোটেল আছে।এ ছাড়াও আছে সরকারী বাংলো। লালমোহন বাজারে বাজারে রেস্ট হাউজ/হোটেলে পেয়ে যাবেন ৩০০-৬০০ টাকার মধ্যেই।
  • Foods কি খাবেন মঙ্গলসিকদারে মেঘনার তাজা মাছ পাবেন। এখান থেকে সস্তায় মাছ কিনে হোটেলে দিলে তারা অল্প টাকায় রেঁধে দেয়। এখানকার মিষ্টির বেশ খ্যাতি রয়েছে।
  • Must see অব্যশ্যই দেখবেন বাত্তিখাল পয়েন্ট, নুরুল্লা পয়েন্ট।

Reviews

(Rate here)

Articles

Find on the Map