ভাগ্যকূল জমিদার বাড়ী মুন্সীগঞ্জ

people checked in

ভাগ্যকূল জমিদার বাড়ী "বিলের ধারে প্যারিস নগর"- অধ্যাপক হূমায়ুন আজাদ এভাবে বর্ণ্না করেছিলেন বিক্রমপুরের শেষ জমিদার যদুনাথ রায়ের বাড়ী কে। এই জমিদার বাড়ীর পাশেই আড়িয়াল বিল। আর এই বিলের ধারের প্রাসাদে থাকতেন যদুনাথ রায়। শ্রীনগর উপজেলার ভাগ্যকূল গ্রামে তৎকালীন প্রভাবশালী জমিদার যদুনাথ রায় বাড়ীটি নির্মান করেন। প্রায় ৫০০ শতাংশ জায়গার উপর বাড়অটি নির্মিত। মূল সড়ক থেকে এক কিমি যাওয়ার পথে চোখে পড়ে এই বিশাল বাড়িটি। জমিদার শ্রীনাথ রায়ের পুত্র যদুনাথ রায় ভাগ্যকুলে দ্বিতল বিশিস্ট দুইটি ভবন নির্মান করেন। শ্রীনাথের রায়ের মূল জমিদার পদ্মার বুকে বিলীন হয়ে গেলেও টিকে আছে যদুনাথের বাড়ী। স্থানীয় মানুষদের কাছে এটি বাবু বাড়ী নামে পরিচিত। এই কমপ্লেক্সে জমিদার বাড়ী ছাড়াও আছে একটি বড় দিঘী আর দূর্গা মন্দির ও লক্ষী নারায়ন মন্দির। বর্তমানে এই কমপ্লেক্সে তৈরি করা হয়েছে বিক্রমপুর জাদুঘর।

  • How to go কিভাবে যাবেন পোস্তাগোলা থেকে সেবা পরিবহনের বাসে বালাসুর বাস স্ট্যান্ড। এখান থেকে রিক্সা বা অটোতে এতিমখানা রোড ভাগ্যকুল জমিদার বাড়ী।
  • Lodging কোথায় থাকবেন ঢাকা থেকে দিনে দিনে মুন্সিগঞ্জ ভ্রমণ শেষ করে ফিরে আসা সম্ভব। তাছাড়া জেলাশহরে থাকার সাধারণ মানের কিছু হোটেল আছে। শহরের দু-একটি হোটেল হলো হোটেল থ্রি স্টার (০১৭১৫৬৬৫৮২৯, ০১৭১৫১৭৭৭১৬) এবং হোটেল কমফোর্ট। এসব হোটেল ১৫০-৬০০ টাকায় থাকার ব্যবস্থা আছে। ভ্রমণে গেলে মুন্সিগঞ্জের জায়গাগুলো দেখে সবশেষে পদ্মা রিজর্টে (০১৭১৩০৩৩০৪৯) এসে থাকলে ভালো লাগবে।
  • Foods কি খাবেন চিত্তর দই, আনন্দর মিষ্টি, খুদের বৌউয়া বা খুদের খিচুড়ি, ভাগ্যকুলের মিষ্টি
  • Must see অব্যশ্যই দেখবেন এই জমিদার বাড়ীর ২-৩ কি.মি দূরেই আছে জগদীস চন্দ্র বসুর বসত ভিটা। এ ছাড়া খুব কাছেই আছে মাওয়া রিসোর্ট। এই ছাড়া ঘুরে আসতে পারেন পাশের শ্যাম সিদ্ধির গ্রামেও। দেখে আসতে পারেন আড়িয়াল বিল আর শ্যাম সিদ্ধির মঠ। নবাবগঞ্জ দিয়ে আসলে দেখে আসতে পারেন ভাগ্যকূলের অন্য জমিদার বাড়ী গুলো। কোকিলপ্যারী জমিদার বাড়ী, তেলিবাড়ী, উকিল বাড়ী এই সবই ভাগ্যকূল জমিদারদের ছিল।

Reviews

(Rate here)

Articles

Find on the Map