ব্রহ্মপুত্র নদ কুড়িগ্রাম

1 people checked in

কয়েক শতাব্দী আগে ১৭৬০ সালে মেজর জেমস রেনেল ব্রহ্মপুত্র নদের পরিবর্তিত গতিপথের সঠিক মানচিত্র প্রণয়ন করেন এবং এখানে দেখা যায় সেসময় ব্রহ্মপুত্র মধুপুর গড়ের পূর্ব দিক দিয়ে নিম্নমুখী প্রবাহিত হয়ে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে পরিচিত একটি খালে এসে মিলিত হয়েছিল। ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের মধ্যবর্তী ব্রহ্মপুত্র খালের নিম্নাংশ পরবর্তীকালে ভরাট হয়ে যায়। পুরাতন ব্রহ্মপুত্র এখন শীতলক্ষ্যা নদীতে মিশে ঢাকার দক্ষিণ-পূর্বে ধলেশ্বরী ও মেঘনা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে। নদটির মোট দৈর্ঘ্য ২৭৬ কিমি। বঙ্গীয় অববাহিকার নদীগুলোর মধ্যে সবচাইতে বেশি গতি পরিবর্তন হয় তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র ও নিম্ন গঙ্গার। ব্রহ্মপুত্র নদের মধুপুর গড় ও বরেন্দ্র অঞ্চলের মধ্যকার বর্তমান গতিপথটি ১৭৮৭ সালে সৃষ্টি হয়। মূলত ব্রহ্মপুত্র নদ বাংলাদেশ এ প্রবেশ করেছে কুড়িগ্রাম জেলা দিয়ে। তাই মূল ব্রহ্মপুত্র নদের রুপ দেখতে হলে এ জেলার চিলমারি , রৌমারি বা রাজিবপুর উপজেলায় ভ্রমন করতে হবে। নদের মাঝে মাঝে রয়েছে বিস্তীর্ন চর। চরে অনেক মানুষ ও বসবাস করে। বর্ষায় এই নদ ভয়ংকর রুপ ধারন করে।

  • How to go কিভাবে যাবেন ঢাকা থেকে বাসে কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলায় যাওয়া যায়। রাজিবপুর নেমে পাশেই ব্রহ্মপুত্র নদ। সেখানে ট্রলারে করে ঘুরা যায়। বা ঢাকা থেকে বাসে চিলমারি নেমে ,চিলমারি বন্দর থেকে ট্রলারে চেপে ব্রহ্মপুত্র নদে ঘুরা যায়। এই পাড়ে চিলমারি থেকে রাজিবপুর সারাদিন অনেক গুলো সার্ভিস ট্রলার ও চলাচল করে।
  • Lodging কোথায় থাকবেন চিলমারি ও রাজিবপুর কুড়ীগ্রামের খুব ই স্বল্পোন্নত উপজেলা ,যেখানে তেমন কোন থাকার বন্দোবস্ত নেই। কুড়িগ্রাম শহরে কিছু মোটামুটি মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। তবে এডভেঞ্চার প্রিয় মানুষ চাইলে ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে ক্যাম্পিং করে বা ট্রলারে রাত কাটাতে পারেন ।
  • Foods কি খাবেন N/A
  • Must see অব্যশ্যই দেখবেন বঙ্গ সোনাহাট ব্রীজ, দুধকুমার নদী, সোনাহাট সীমান্ত, চিলমারি বন্দর, চান্দামারি মসজিদ।

Reviews

(Rate here)

rrrt

ttert

Articles

Find on the Map