খাঞ্জেলী দীঘি বা ঠাকুর দীঘি বাগেরহাট

1 people checked in

হযরত খান জাহান আলী (রহঃ) মাজারের দক্ষিণ দিকে আয়তনে প্রায় ২০০ বিঘা জমি জুড়ে খাঞ্জেলী দীঘি অবস্থিত। হজরত খান জাহান আলী (রহঃ) কালাপাহাড় ও ধলাপাহাড় নামে দুইটি কুমির এই দিঘিতে ছেড়েছিলেন, যেগুলো পরে মারা যায়। পরর্বতীকালে কিছু মিঠা পানির কুমির দীঘিতে ছাড়া হয়। মাজার জিয়ারতের উদ্দেশ্যে আগত লোক জন দীঘির এ কুমিরগুলোকে হাঁস, মুরগি, ভেড়া,খাসিসহ নানা ধরনের মানতের পশু উৎর্সগ করেন। কালা পাহাড় মারা যাওয়ার পর ষাটগম্বুজ মসজিদের জাদুঘরে মমি করে রাখা হয়েছে। দীঘির প্রধান ঘাটটি প্রশস্ত ও সুন্দর। মহিলাদের জন্য আলাদা ঘাট আছে। এ দীঘির পানি সুপেয়। অনেকে রোগপীড়া থেকে নিরাময়ের জন্য এ দীঘির পানি পান করেন এবং দীঘিতে গোসল করে। এই দীঘিকে ঠাকুর দীঘিও বলে ডাকা হয়। খাঞ্জেলী দীঘির নামকরণ সম্পর্কে বিভিন্ন কিংবদন্তি প্রচলিত আছে। কেউ কেউ বলেন বুদ্ধ ঠাকুরের মুর্তি প্রাপ্তির জন্য এর নাম হয় “ ঠাকুর দীঘি”। অন্য মতে খানজাহানকে দেশীয় হিন্দুগণ ভক্তিভরে “ ঠাকুর ” বলতো এবং তাঁরই বিশেষ তত্ত্বাবধানে এ দীঘি খনন করা হয় বলে তাদের ভক্তিভাজন ঠাকুরের নামানুসারে ঠাকুর দীঘি বলা হতো। আবার কেউ কেউ বলেন পীর আলী মোহাম্মদ তাহের খাজাহানের প্রিয়তম বন্ধু ছিলেন। তিনি পূর্বে ব্রাক্ষ্মণ ছিলেন এবং তাঁর নাম ছিল শ্রী গোবিন্দ লাল রায়। খানজাহান তাঁকে আদর করে “ ঠাকুর ” বলে সম্বোধন করতেন। তাঁরই স্মৃতি রক্ষার্থে তিনি এ দীঘির নাম “ঠাকুর দীঘি”রেখেছিলেন। তাঁর মাজার খানজাহান (রঃ) মাজার সংলগ্ন পশ্চিমে অবস্থিত।

  • How to go কিভাবে যাবেন বাগেরহাট জেলা থেকে অটোযোগে খাঞ্জেলী দীঘিতে যাওয়া যায়।
  • Lodging কোথায় থাকবেন N/A
  • Foods কি খাবেন N/A
  • Must see অব্যশ্যই দেখবেন N/A

Reviews

(Rate here)

Articles

Find on the Map