কলাগাছিয়া ইকোট্যুরিজম সাতক্ষিরা

1 people checked in

অপরূপ সন্দরযের লিলা ভুমির নাম কলাগাছি। সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের সাতক্ষীরা রেজ্ঞের বুড়িগোয়ালীনি স্টেশনের অধিনে এই ইকোটুরিজম কেন্দ্রটি অবস্থিত। সুন্দরবনের ভিতর দিয়ে যাওয়ার সময় দুই ধারের সারি সারি বন আপনাকে করবে মুগ্ধ। কলাগাছিয়া ইকোটুরিজম কেন্দ্রের ঘাটে ট্রলার ভিরতেই এখানে পযাটকদের অভ্যর্থনা জানায় দুষ্টু বানরের দল। ভিতরে ঢুকলেই খাওয়ার জন্য আপনার পাশে ভিরবে বানর এবং হরিণ এর দল। এরা আপনার হাত থেকে খাওয়ার খাবে নির্ভয়ে। এই জন্য সাথে বাদাম এবং মুড়ি নিয়ে নিতে পারেন। খাওয়ানোর সময় সাথে অবস্যয় লাঠি রাখবেন না হলে বানরা আক্রমণ করতে পারে । বন ঘুরে দেখের জন্য ইকোটুরিজমের ভিতরে কাঠ দিয়ে ব্রিজ তৈরি করা আছে। বনের মধ্যে ওয়াকওয়ে দিয়ে হেটে গেলে দেখতে পাবেন চার তলা সমান উচু পযবেক্ষেন টাওয়ার। টাওয়ারের চূঁড়া থেকে পুরো সুন্দরবনের অনেকটা অংশ দেখার আনন্দ আপনাকে মুগ্ধ করবে।

  • How to go কিভাবে যাবেন সুন্দরবনের কলাগাছিয়া ইকোট্যুরিজম (পর্যটন) কেন্দ্রে যেতে হলে প্রথমেই আসতে হবে সাতক্ষীরার শ্যামনগর। ঢাকার কল্যাণপুর এবং গাবতলি থেকে সরাসরি সাতক্ষীরার শ্যামনগরের চেয়ার কোচ ভাড়া ৫৫০ টাকা আর AC তে ১২০০/১৪০০। লোকাল বাসে মুন্সীগঞ্জ বাজারে যাওয়া ভাড়া ১৫/২০ টাকা। এরপর এছাড়াও শ্যামনগর উপজেলার সদর থেকে সড়ক পথে বুড়িগোয়ালীনির নীলডুমুর খেয়া ঘাটে আসতে পারেন, নীলডুমুর খেয়া ঘাট থেকে ট্রলারে সময় লাগে মাত্র আধ ঘণ্টা ভাড়া ৮০০/১৫০০। ৩০ মিনিটেই পৌচে যাবেন কলাগাছিয়া ইকোট্যুরিজম কেন্দ্রে।
  • Lodging কোথায় থাকবেন বর্ষা ট্যুরিজম, সুশীলন এর টাইগার পয়েন্ট, আকাশলীনা রিসোর্ট এ থাকতে পারবেন এটি মুন্সীগঞ্জ বাজারের পাশেী অবস্থিত।
  • Foods কি খাবেন সুন্দরবন এলাকায় বিভিন্ন রকমের মাছ, • সাদা সোনা / বাগদা চিংড়ী • নদীর মাছ। • কেওড়া এগুলা শ্যামনগরে পাবেন। সাতক্ষীরা নামলে - • সাতক্ষীরার সন্দেশ। • চুয়ে ঝাল।
  • Must see অব্যশ্যই দেখবেন • কলাগাছিয়া ও আকাশলীনা ওয়াচ টাওয়ার। যেটার উপরে উঠলে, সুন্দবনের গভীর অরন্য দেখা যাবে। • ফরেস্ট ক্যাম্পের সৌন্দর্য্য • পিলখানার পর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিজিবি ক্যাম্প। নীল্ডুমুর বিজিবি ক্যাম্প। • আকাশলীনা ইকোট্যুরিজম। ( মুন্সিগঞ্জ) যেতে পথেই পড়বে) • বর্ষা রিসোর্ট ( আকাশলীনার পাশেই) • বার ভুইয়ার অন্যতম রাজা, যশোর রাজ্যের রাজধানী #রাজা_প্রতাপাদিত্যের রাজধানী। (শ্যামনগর সদর থেকে ১ কিমি) • বংশীপুর শাহী মসজিদ, ও মুঘল আমলের হাফসি খানা, ( জল্লাদ খানা) এখানে, বদ্ধ ভবনে মানুষ ফেলে দেয়া হতো

Reviews

(Rate here)

Articles

Find on the Map